• বিধানসভার সই জাল মামলায় আপাতত স্বস্তিতে অভিষেক, কী জানাল হাই কোর্ট?
    প্রতিদিন | ১৭ জুলাই ২০২৬
  • বিধানসভার সই জাল মামলায় স্বস্তিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। আগামী একমাসের জন্য অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ালেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। হাই কোর্টের নির্দেশ, এই সময়ের তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। তবে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে তৃণমূল সাংসদকে। আগামী ২৩ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা। 

    সই কাণ্ডের সূত্রপাত ভোটের ফল ঘোষণার পর। গত ৬ মে বিধায়কদের নিয়ে কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী বৈঠক করেন। তাতে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। ওইদিন যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা সকলে হাত তুলে শোভনদেবকে সমর্থন জানান। কিন্তু বিধানসভায় এই সংক্রান্ত যে প্রস্তাবনা জমা দিতে হয়, তা দেয়নি তৃণমূল। এরপর ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের শপথগ্রহণ হয়। শপথের পর নিয়ম মেনে সই করেন বিধায়করা। বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে প্রস্তাবপত্র চান বিধানসভার সচিব। তা জমা দিতে ১৯ মে ফের কালীঘাটের বৈঠক ডাকা হয় বিধায়কদের। ওইদিন কেউ ছিলেন, কেউ ছিলেন না। উপস্থিত সকলের সই নেওয়া হয় দলের তরফে। মিলিয়ে দেখা হয় ক’জন গরহাজির।

    পরে দলের প্রস্তাবিত বিরোধী দলনেতার নামে সমর্থন জানিয়ে ৭০ জনের সই করা একটি কাগজ জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, ওটাই বিরোধী দলনেতার প্রস্তাবনাপত্র। আর এখানেই গরমিল শুরু। দুই জায়গায় তৃণমূল বিধায়কদের সই না মেলায় জালিয়াতি সন্দেহ হয় সচিবের। তিনি থানায় এফআইআর করেন। তদন্তভার পেয়ে কাজ শুরু করে সিআইডি। এই সই জাল কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তদন্তে নেমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেয় সিআইডি। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। চিঠি পাঠিয়ে ১৫ দিন সময়ও চান। এরপরই সিআইডি নোটিস চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
  • Link to this news (প্রতিদিন)