• কীসের এত রাগ? সিভিক ভলান্টিয়ারের সামনেই সরকারি অফিসে তাণ্ডবলীলা, ভাঙল দরজা-প্রিন্টার
    News18 বাংলা | ১৭ জুলাই ২০২৬
  • : ভরদুপুরে মদ্যপ অবস্থায় এক যুবকের তাণ্ডবে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট ব্লকের ভাল্যগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত। অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় ওই যুবক। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অফিসে। প্রাণ বাঁচাতে ছুটোছুটি শুরু করেন কর্মীরা। অভিযোগ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, দফতরের দরজা, ইলেকট্রিক বোর্ড-সহ একাধিক সরকারি সামগ্রী ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ফাইল টেনে ছিঁড়ে গোটা অফিসে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

    পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক অভিজিৎ হাজরা জানান, প্রথমে ওই যুবক অফিসে এসে অশান্তি শুরু করলে বিষয়টি পঞ্চায়েত প্রধানকে জানানো হয়। প্রধানের নির্দেশে একজন সিভিক ভলান্টিয়ার এলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পরে তিনি এসে দেখেন অফিসের একাধিক জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে। এই ঘটনার পর কর্মীরা আতঙ্কিত বলেও জানান তিনি। ভিআরপি শামিম সেখের অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক অফিসে ঢুকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে এবং কর্মীদের মারধরেরও চেষ্টা করে। এরপর কম্পিউটার, দরজা, ইলেকট্রিক বোর্ড ভাঙচুরের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দেয়। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত মদ্যপ অবস্থায় ছিল এবং কোনও নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই এই তাণ্ডব চালায়।

    ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তবে পুলিশ অভিযুক্তের বাড়িতে গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। কী কারণে এই হামলা ও ভাঙচুর, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ভরদুপুরে সরকারি দফতরে এমন ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।এদিকে ঘটনার পর থেকেই পঞ্চায়েত কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

    তাঁদের দাবি, সরকারি অফিসে যদি দিনের আলোয় এভাবে হামলা ও ভাঙচুর চালানো যায়, তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন তাঁরা। একই সঙ্গে পঞ্চায়েত অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করারও আবেদন জানিয়েছেন কর্মীরা। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ।
  • Link to this news (News18 বাংলা)