• কলকাতা পুর এলাকার স্কুলে মিড ডে মিলের দায়িত্ব, ইসকনকে চিঠি পাঠাল রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দপ্তর
    এই সময় | ১৮ জুলাই ২০২৬
  • এই সময়: অবশেষে কলকাতা পুর এলাকার সব স্কুলে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক এবং উচ্চ-প্রাথমিক পড়ুয়াদের স্কুলের দিন এবং ছুটির দিনে (সরকারি নির্দেশে পড়ুয়ারা যদি বিশেষ কারণে স্কুলে আসে) মিড ডে মিল সরবরাহে ‘ইসকন অন্নমৃত ফুড রিলিফ ফাউন্ডেশন’কে লেটার অফ অ্যাওয়ার্ড (এলওএ) পাঠাল রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দপ্তর। পিএম পোষণের প্রকল্প অধিকর্তা ইসকনের ট্রাস্টি যুধিষ্ঠির গোবিন্দ দাসকে লিখেছেন, ‘১ অগস্ট থেকে কলকাতা পুর এলাকার প্রাক-প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলপড়ুয়াদের রান্না করা গরম খাবার প্রস্তুত ও সরবরাহের চুক্তিটি ইসকন অন্নমৃত ফুড রিলিফ ফাউন্ডেশনকে দিতে পেরে আনন্দিত। পিএম পোষণ নির্দেশিকা অনুসারে, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বাধ্যতামূলক পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যবিধির নিয়মগুলি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।’

    ইসকনের হাতে স্কুলের মিড ডে মিল রান্নার দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে ইতিমধ্যে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, গোটা রাজ্যে এই ব্যবস্থা চালু হলে ২৫ লক্ষ মহিলা কর্মহীন হয়ে পড়বেন। এই ব্যাপারে আদালত রাজ্য সরকারের হলফনামা তলব করেছে। সেই বিষয়ের উল্লেখ করে এলওএ–তে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই সিদ্ধান্ত হবে। এই এলওএ ইস্যুর দিন (১৫ জুলাই) থেকে সাতটি কাজের দিনের মধ্যে ইসকন ইচ্ছুক কি না, তা জানাতে হবে। বর্তমান রাঁধুনি ও সহায়কদের পরিষেবা তারা ব্যবহার করতে পারবে। সরকার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ডিবিটি প্রক্রিয়ায় অনুমোদিত হারে তাঁদের সাম্মানিক দেবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবারও বলেছিলেন, ১ অগস্ট থেকেই বৃহত্তর কলকাতায় ইসকন পড়ুয়াদের মিড মে মিল দেবে।

    স্কুলশিক্ষা দপ্তরের ইচ্ছাপত্র অনুযায়ী, সাপ্তাহিক মেনুতে প্রোটিন সমৃদ্ধ বৈচিত্র্যময় খাবার থাকতে হবে। পিএম পোষণের নির্ধারিত প্রতিটি খাবারের পুষ্টিগুণ (ক্যালোরি–প্রোটিনের নিরিখে) আবশ্যিক ও নিখুঁত ভাবে বজায় রাখতে হবে। সরকার অনুমোদিত মাথাপিছু দৈনিক রান্নার খরচ ইসকনকে দেওয়া হবে। বিভাগীয় আধিকারিকরা যে কোনও সময়ে খাবারের গুণমান পরীক্ষা ও রান্নাঘর পরিদর্শন করবে। কাজ শুরুর জন্য অবিলম্বে স্কুলশিক্ষা বিভাগের সাথে আনুষ্ঠানিক মউ সইয়ের জন্য ইসকনকে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • Link to this news (এই সময়)