• ‘হাল ছেড়ো না…’ NEET পরীক্ষায় সাফল্যের রহস্য ফাঁস করলেন পাঁশকুড়ার প্রান্তিক
    এই সময় | ১৮ জুলাই ২০২৬
  • নিট পরীক্ষায় সফল হয়ে তাক লাগিয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার দক্ষিণ মেচোগ্রামের প্রান্তিক মণ্ডল। সর্ব ভারতীয় NEET ৩ হাজার র‍্যাঙ্ক করেছেন তিনি। এ বার কলকাতায় মেডিক্যাল কলেজে পড়তে চাইছেন তিনি। দীর্ঘ দিনের প্রচেষ্টায় সফল হয়েছেন প্রান্তিক। তাঁর এই সাফল্যে খুশি পরিবারের লোকজন। কী ভাবে এই সাফল্য আসতে পারে তাও জানিয়েছেন প্রান্তিক। তাঁর মতে, হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। ভয় না পেয়ে নিজের উপর আস্থা রেখে কাজ করে যেতে হবে। সেই সঙ্গেই নিয়ম মেনেই করতে হবে পড়াশোনা।

    প্রসঙ্গত, পড়াশোনার পাশাপাশি গানবাজনাতেও পারদর্শী প্রান্তিক। নিজের পড়াশোনা বজায় রেখে গানবাজনায় সময় কাটে তাঁর। তাঁর মতে, পড়াশোনার চাপের মধ্যে নিজেকে ‘রিল্যাক্সড’-ও রাখতে হবে। তাই দিনে যতটা সময় নিয়ম মেনে পড়ার তা করে বন্ধু এবং পরিবারের সঙ্গেও কিছুটা সময় কাটাতে হবে। এই টিপস মেনে চললেই যে কেউ সাফল্য পাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    প্রান্তিকের বাবা তপন মণ্ডল পেশায় গৃহশিক্ষক। আর মা সাধারণ গৃহবধূ। এই সাফল্য আসার পিছনে বাবা-মায়ের অনেকটাই অবদান আছে বলে জানিয়েছেন প্রান্তিক।

    রাজস্থানে একটি কোচিং সেন্টারে পড়াশোনা করতেন তিনি। কখনও অফলাইন আবার কখনও অনলাইনে পড়াশোনা চলত তাঁর। এর পরেই NEET-এ বড় সফলতা আসে তাঁর। ভবিষ্যতে বড় চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করাই লক্ষ্য ছিল প্রান্তিকের। এ বার তাঁর সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলায় খুশি পরিবারের সদস্যরা।

    প্রান্তিক জানিয়েছেন, দিনে গড়ে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পড়াশোনা করেছেন তিনি। সেই পড়া হয়েছে ডিসিপ্লিন মেনেই। নিজেই মক টেস্ট যেমন দিয়েছেন, তেমনই ধরেছেন নিজের ভুল। সেগুলি সংশোধন করে আবার নিজের পড়া করেছেন তিনি। যাতে সেই ভুল না হয় তার দিকেও নজর ছিল তাঁর।

    তিনি বলেন, ‘ভুল হলে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। ভয় না পেয়ে নিজের ওপর আস্থা রেখে পড়তে হবে। সেই সঙ্গে রাখতে হবে ডিসিপ্লিনও।’

    তাঁর মতে, নিজে রিল্যাক্সড থেকে সঠিক লক্ষ্য নিয়ে পড়া করলে সাফল্য আসবে অন্যদেরও।

  • Link to this news (এই সময়)