রাজারহাটে বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে এ বার এনআইএ। ঘটনাস্থলে গেল সিআইডি এবং বম্ব স্কোয়াড। শুক্রবার রাতে যে বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটি আপাতত ঘিরে রাখা হয়েছে। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে আরও কিছু বিস্ফোরকও উদ্ধার হয়েছে। নিছক দুর্ঘটনার কারণে এই বিস্ফোরণ, নাকি নেপথ্যে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে, সেই বিষয়টি এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ইতিমধ্যেই একজনকে আটক করা হয়েছে। আর যাঁরা জড়িত, তাঁদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে। ডিসি (নিউ টাউন) জ্যোতির্ময় রায় বলেন, ‘বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হবে। আপাতত সিআইডি তদন্ত করে দেখছে।’
স্থানীয়েরা জানান, এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ। ফলে আরও বড়সড় বিস্ফোরণ হলে, গোটা এলাকাতেই ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত। বাড়িটিও নিয়ম মেনে ভাড়া দেওয়া হয়নি কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, এই সমস্ত বিষয়টিই তদন্ত করে দেখা হবে। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন বিধায়ক পীয়ূষ কানোরিয়া। তাঁর অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে এ ভাবেই গোটা এলাকা সন্ত্রাসবাদীরে আখড়া হয়ে উঠেছে।
রাজারহাটের দক্ষিণ নারায়ণপুরের সুপুরিবাগান এলাকায় একটি বাড়িতে শুক্রবার রাতে বিকট শব্দ হয়। বিস্ফোরণের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় নারায়ণপুর থানার পুলিশ। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রের খবর, ওই বাড়িটি ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার রাতে সেই ঘরেই আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। তবে, কী থেকে বিস্ফোরণ, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, সুতলি বোমা ফেটে থাকতে পারে। ওই বাড়িতে কোনও রকম বিস্ফোরক মজুত করা ছিল কি না, কারা ওই বাড়িতে ছিলেন, সেই সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেখা হচ্ছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজও। জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।