দিল্লির হাসপাতালে পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের কোনও চিকিৎসাই হচ্ছে না। দেওয়া হচ্ছে না রিপোর্টও। এমনটাই বিস্ফোরক দাবি করলেন তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো। এরপরই তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গীতাঞ্জলি বলেন, “আপাতত সোনমকে কেবল পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালানো হচ্ছে। আমরা আসলে বাইরের ল্যাবরেটরি থেকে পরীক্ষাগুলি করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কারণ, আমরা যেসব রিপোর্ট চেয়েছিলাম সেগুলি হাসপাতাল থেকে দেওয়া হচ্ছে না। তারা জানিয়েছে সোনমের পটাশিয়ামের মাত্রা ২.৯-এ নেমে এসেছে। এ সমস্ত তথ্য বিশ্বাসযোগ্য নয়। শুক্রবার তাঁর পটাশিয়ামের মাত্রা ছিল ৪.৩। এক দিনের ব্যবধানে তা কীভাবে এতটা নিচে নেমে এল! এটা অসম্ভব।” গীতাঞ্জলি আরও বলেন, “আদালত তাঁকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। হাসপাতালে ভর্তি করাতে বলেনি। সোনম এখনও অনশন করছেন। তিনি কেবল লবণ-মিশ্রিত জল পান করছেন, যা তিনি আগেও পান করছিলেন।”
দিল্লির যন্তরমন্তরে অনশনরত সোনমকে শনিবার সকালে একপ্রকার জোর করে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে দিল্লি পুলিশ। ভর্তি করানো হয়েছে সফদরজং হাসপাতালে। দিল্লি পুলিশের দাবি, সবটাই হয়েছে হাই কোর্টের রায় কার্যকর করতে এবং মেডিক্যাল বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতো। জানা গিয়েছে, দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরের বিক্ষোভকারীদের দ্রুত ওই স্থান খালি করার আহ্বান জানিয়েছে। ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর বিক্ষোভস্থলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ২০ জুলাই ওয়াংচুক ও তাঁর সমর্থকদের সংসদ অভিমুখে যে মিছিলের পরিকল্পনা রয়েছে, তার ঠিক দু’দিন আগে এই ঘটনা ঘটল।