• অনুপ্রবেশ আটকাতে প্রযুক্তির ব্যবহার, শিলিগুড়িতে সীমান্তবর্তী এলাকা পরিদর্শনে শাহ
    এই সময় | ১৯ জুলাই ২০২৬
  • সীমান্ত সুরক্ষায় ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীকে জমি হস্তান্তরের কাজ শুরু হয়েছে। চিকেনস নেক-এর সুরক্ষা নিয়ে শনিবার উত্তরকন্যায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৈঠকে ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।

    এ দিন উত্তরকন্যার পাশে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেন শাহ। কাঁটাতার লাগোয়া জামুড়িয়া ভিটা, সন্ন্যাসীকাঁটার মতো এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। শিলিগুড়ির জুমাগাছ বর্ডার আউটপোস্টেও যান। দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত আধুনিক সীমান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে ছিল অনুপ্রবেশ সতর্কীকরণ ব্যবস্থা (Infiltration Warning System), রেডিয়ো-ভিত্তিক কাঁটাতারের অনুপ্রবেশ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, গেট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার এবং নতুন ফেন্সিং। পাশাপাশি, সীমান্ত সুরক্ষায় এ সব ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও অপারেশনাল প্রস্তুতিও পর্যালোচনা করেন।

    উল্লেখ্য, চিকেনস নেক-র অদূরেই রয়েছে চিন সীমান্ত। পাশাপাশি নজর রয়েছে নেপাল ও ভুটান সীমান্তেও। সীমান্ত এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশের ব্যাপারে পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল বিজেপি। এমনকী, নির্বাচনী প্রচার রাজ্যে অনুপ্রবেশ সমস্যা নিরসনের কথা বার বার তুলে ধরেছিলেন শাহ। রাজ্যে পালাবদলের পরেই সীমান্ত পরিদর্শন ও সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই পরিদর্শন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

    শনিবার উত্তরকন্যায় চিকেনস নেক-এর সুরক্ষা নিয়ে বৈঠক করেন তিনি।

    ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চল, জামুড়িয়া ভিটা, সন্ন্যাসীকাঁটা এবং শিলিগুড়ির জুমাগাছ বর্ডার আউটপোস্ট পরিদর্শন করেন তিনি।

    অনুপ্রবেশ সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, রেডিয়ো-ভিত্তিক কাঁটাতারের অনুপ্রবেশ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, গেট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার এবং নতুন ফেন্সিং প্রদর্শিত হয়।

    চিকেনস নেক-র অদূরে চিন সীমান্ত থাকায় এবং নেপাল ও ভুটান সীমান্তের নৈকট্যের কারণে এই এলাকা কৌশলগত ভাবে স্পর্শকাতর বলে মনে করা হয়।

  • Link to this news (এই সময়)