• এতদিন এড়িয়েছেন আরশোলার ছোঁয়া, ওয়াংচুককে পুলিশ সরাতেই মুখ খুললেন রাহুল
    প্রতিদিন | ১৯ জুলাই ২০২৬
  • দিল্লির যন্তরমন্তরে অনশনরত সোনম ওয়াংচুককে যেভাবে তুলে নিয়ে গিয়ে জোর করে অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করছে দিল্লি পুলিশ, সেটার তীব্র নিন্দা করলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলছেন, যেভাবে অহিংসার পথে আন্দোলনরত সোনম ওয়াংচুককে যন্তরমন্তর থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল, সেটা ভুল। কিন্তু সরকার যতই বলপ্রয়োগ করুক, এই দেশের যুবসমাজকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না।

    ককরোচ জনতা পার্টি এবং সোনম ওয়াংচুকের অনশন-এই দুটি বিষয় থেকে এতদিন পর্যন্ত নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা, শিক্ষাব্যবস্থার আমূল বদল এবং প্রশ্নফাঁস রুখে পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার। ঠিক যে দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি এতদিন ধরে আন্দোলন করছে, একই দাবিতে নিজের মতো করে পৃথক কর্মসূচি করছেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু এতদিন পর্যন্ত ককরোচদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখাটাকেই শ্রেয় বলে মনে করেছেন রাহুল। কিন্তু শনিবার সকালে সেই দূরত্ব ঘুচে গেল সোনমকে যন্তরমন্তরকে থেকে সরিয়ে নিতেই।

    সোশাল মিডিয়ায় রাহুল বলে দিলেন, “মোদি সরকারের মূল বুনিয়াদই হল অসত্য এবং হিংসা। যেভাবে অহিংসার পথে আন্দোলনরত সোনম ওয়াংচুককে যন্তরমন্তর থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল, সেটা ভুল। প্রশ্নফাঁস, শিক্ষার খরচ বৃদ্ধি এবং পড়ুয়াদের আত্মহত্যা এই মুহূর্তে ভারতের ভবিষ্যৎ উন্নতির পথে মূল অন্তরায়। কোনওরকম কোনও বল প্রয়োগ করেই পড়ুয়াদের বা আমরা যারা পড়ুয়াদের ভালোবাসি-বিশ্বাস করি, তাঁদের এই ইস্যুগুলি তুলে ধরা থেকে আটকে রাখা যাবে না।”

    বস্তুত, অনশনের প্রথম কয়েকদিন সেভাবে বিরোধীদের সমর্থন পাননি সোনম ওয়াংচুক। যত দিন গিয়েছে, ততই তাঁর পক্ষে সমর্থন বেড়েছে। একের পর এক বিরোধী দল পাশে দাঁড়িয়েছে ওই সমাজকর্মীর। এতদিন মূলত রাজনৈতিক কারণেই রাহুল ওই আন্দোলন থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু এবার আর দূরে থাকতে পারলেন না রাহুল।
  • Link to this news (প্রতিদিন)