• 'শক্তিশালী বারাসত' গড়তে বড় ভাবনা কাকলির, কী করবেন?
    আজকাল | ১৯ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূলের হয়ে ভোট জিতেছেন। কিন্তু এখন? এনসিপিআই-এ। অন্যদিকে তৃণমূলের আপত্তি অগ্রাহ্য করেই, সংসদে স্বীকৃতি পেয়েছে এনসিপিআই। সুদীপ ব্যানার্জি ইতিমধ্যেই দেখা করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। সংসদের বাদল অধিবেধনেও থাকবেন এনসিপিআই-এর প্রতিনিধি হয়ে। কিন্তু তৃণমূলের টিকিটে ভোট জেতা কাকলিকে এনসিপিআই-এর প্রতিনিধি হিসেবে মেনে নেবে বারাসতের মানুষ?

    কাকলির বড় সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, সময় থাকতেই নয়া দল পরিচয় করাতেই বড় সিদ্ধান্ত সাংসদের। কেন? কাকলি সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, মানুষের কথা শুনবেন মুখোমুখি বসে। সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছনে, 'জনসংযোগই গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি। আপনাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে, আপনাদের সমস্যা, অভিযোগ, মতামত ও পরামর্শ শুনতে শুরু করছি "জন সংযোগ অভিযান"।' প্রতি রবিবার, বিকেল ৩টা থেকে ৫টা, এই কর্মসূচি চলবে তাঁর নিজের বাড়িতেই। 

    সঙ্গেই কাকলি লিখেছেন, 'বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের সকল নাগরিক ও তৃণমূল স্তরের দলীয় কর্মীদের আন্তরিক আমন্ত্রণ। আপনাদের কথা শুনে সমস্যার সমাধানে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করাই আমার অঙ্গীকার। আসুন, মানুষের পাশে থেকে একসঙ্গে গড়ে তুলি আরও উন্নত ও শক্তিশালী বারাসাত।' 

    সংসদে তৃণমূল ভাঙার মূল কাণ্ডারী কাকলিই। ভোটে হারার পর, মমতা ব্যানার্জি  কালীঘাটের বৈঠকে ফের লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতকের দায়িত্ব কল্যাণ ব্যানার্জির হাতেই তুলে দেন। তারপর থেকেই ধাপে ধাপে বোমা ফাটিয়ে তৃণমূলের হাতই ছেড়ে দেন কাকলি। শুধু তাই নয়, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসদদের নিয়ে একপ্রকার আলাদা হয়ে যান। তৃণমূলের হাত ছেড়ে যান সোজা এনসিপিআইতে। সেই দলও স্বীকৃতি পেয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের টিকিটে ভোট জেতা কাকলি, তৃণমূল স্তরের মানুষের কাছে এনসিপি আই-কে পরিচিত করতে চাইছেন বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। 

     
  • Link to this news (আজকাল)