• বিদায়বেলায় ১০ গোলের ফুলঝুরি, এমবাপের ইতিহাস গড়ার ম্যাচে সান্ত্বনা পুরস্কার ইংল্যান্ডের
    প্রতিদিন | ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ইংল্যান্ড: ৬ (সাকা পেনাল্টি-সহ হ্যাটট্রিক, রাইস, কোনসা, বেলিংহ্যাম)
    ফ্রান্স: ৪ (এমবাপে ২, বারকোলা, দেম্বেলে)

    ট্রফিজয়ের একেবারে শেষ ধাপে পৌঁছনোর যুদ্ধে হার। বিশ্বকাপজুড়ে দারুণ খেলেও ট্রফি জয়ের স্বপ্ন অধরা থেকে যাওয়ার যন্ত্রণা। এতসব সহ্য করেও নিয়মমাফিক তৃতীয় স্থান পাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছিল ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স। তবে কাঁধ ঝুলে যাওয়া ‘হেরো’ নয়, রণংদেহি মেজাজেই ম্যাচ খেলল দুই দল। ভরপুর বিনোদন উপহার পেলেন ফুটবলপ্রেমীর। শেষ পর্যন্ত ১০ গোলের ম্যাচে জিতে গেল ইংল্যান্ড। পরাজয় দিয়ে ইতি ঘটল দিদিয়ের দেশঁর কোচিং জীবনের।

    রবিবার ভোররাতের ম্যাচটা ছিল সেয়ানে সেয়ানে লড়াই আর কামব্যাকের মঞ্চ। প্রথমার্ধটা পুরোই ইংল্যান্ডের দখলে। ম্যাচের তিন মিনিটের মাথায় ডেকলান রাইসের গোল। এদিন ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন তিনি। অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরে যেন আরও ধারাল হয়ে উঠলেন। ১৮ মিনিটে এজরি কোনসা, ৩৭ এবং ৪৫+১ মিনিটে বুকায়ো সাকার গোলে ৪-০ এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। ফরাসি রক্ষণকে তখন কার্যত খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ব্রোঞ্জ পদক হাসতে হাসতে নিয়ে যাবে ইংরেজরা, ফুটবলভক্তরা নিশ্চিত।

    বিরতির পরে ঘুরল খেলা। গোটা টুর্নামেন্টের মতো চেনা ছন্দে ফিরলেন দেশঁর ছাত্ররা। ৪৮ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপের গোল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোল করার নজিরে ছুঁয়ে ফেললেন রবিবার ফাইনাল খেলতে নামা লিওনেল মেসিকে। ৬৬ মিনিটের মাথায় ফের গোল। মেসিকে টপকে নিজের নতুন নজির গড়লেন ফরাসি অধিনায়ক। বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলদাতা হিসাবে জ্বলজ্বল করবে তাঁর নাম, যদিও ফাইনালে গোল করে সেই রেকর্ড ভেঙে দিতে পারেন মেসি।

    দ্বিতীয়ার্ধে একটা সময়ে খেলার ফলাফল ছিল ৩-৪। ফরাসি হানায় ইংরেজ রক্ষণ তখন বেসামাল। তবে সুযোগ তৈরি করছিলেন জেড স্পেন্সরাও। ৮৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করলেন সাকা। ম্যাচ গড়াল ৯৯ মিনিট পর্যন্ত। তার মধ্যেও উসমান দেম্বেলে এবং জুড বেলিংহ্যামের পা থেকে এল গোল। ইংরেজ ফুটবলার হিসাবে এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক গোলের নজির গড়লেন বেলিংহ্যাম। ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এটাই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সেরা পারফরম্যান্স। এই প্রথমবার তৃতীয় স্থানের ম্যাচ জিতে পদক নিয়ে ফিরবেন ইংরেজ ফুটবলাররা।
  • Link to this news (প্রতিদিন)