এবার মমতার সঙ্গ ছাড়লেন ৪০ বছরের রাজনৈতিক সঙ্গী! তিন বারের বিধায়ক, ২ বারের মন্ত্রী
News18 বাংলা | ১৯ জুলাই ২০২৬
এক সময় হুগলি জেলার রাজনীতিতে সুস্পষ্ট দুই শিবিরে বিভক্ত ছিল তৃণমূল৷ এক, চুঁচুড়ার অসিত মজুমগার এবং দুই সপ্তগ্রামের বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত৷ এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছাড়েননি অসিত৷ গতমাসে হাজতবাস শেষে ফের জানিয়েছেন, ‘‘আগেও দলের সঙ্গে বেইমানি করিনি, আগামী দিনেও করব না।’’ তাঁকে হুগলি জেলা সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কিন্তু, আপাতত, মমতার সঙ্গে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে চলা রাজনৈতিক জীবনে দাঁড়ি টানতে চলেছেন অপর শিবিরের প্রধান তপন দাশগুপ্ত৷
এবার তৃণমূল ছাড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত। সপ্তগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী ছিলেন। দলের বিপর্যয়ের পর একের পর এক নেতা মমতার সঙ্গ ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে চলে গেছেন। অধিকাংশ সাংসদ আবার এনসিপিআই-তে যোগ দিয়ে এনডিএ শরিক হয়েছেন।
তপন দাশগুপ্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রায় চল্লিশ বছর রাজনীতি করেছেন। তিন বারের বিধায়ক, দুই বারের মন্ত্রী হয়েছেন তৃণমূল জমানায়। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি, ফুরফুরা ডেভলপমেন্ট অথরিটি,পশুপালন দফতর, ফরেস্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ছিলেন।
লড়াকু তপন দাশগুপ্ত হুগলি জেলা তৃণমূল সভাপতি থাকাকালীন তৃণমূলকে সাজিয়েছেন মনের মতো করে। তাঁর দাবি, তাঁর অনুগামীরা এখনও আছে জেলার সব ব্লকে। এবার বিধানসভা নির্বাচনে তাকে টিকিট দেয়নি দল। সেই থেকে অভিমান ছিল।তবে দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। এর মধ্যে রাজনীতিতে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী অসিত মজুমদারকে হুগলি শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি করে তৃণমূল।
তবে, তপন দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, তিনি এখনইই সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নিচ্ছেন না। রাজনীতিতে থাকছেন। তবে এই মুহূর্তে তৃণমূলের কোনও শিবিরে যোগ দেওয়া বা না দেওয়া নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি তিনি। আগামী দিনে সুযোগ পেলে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জানা গেছে।