আজকাল ওয়েবডেস্ক: শনির পরেও, রবিতেও চলছিল তোড়জোড়। বুলডোজারের পর, হাতুড়ি। তবে একদিকে যখন ভবন ভাঙার কাজের তোড়জোড় চলছিল, তখনই শুনানিও চলছিল আদালতে। পার্টি অফিস ভাঙার মামলায় নির্দিষ্ট সংস্থার তরফে দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়। ছুটির দিনেও, কার্যত নজিরবিহীন শুনানি হয় আদালতে। সূত্রের খবর, আদালত শুনানিতে জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশের আগে পর্যন্ত, ওই ভবন ভাঙার কাজ বন্ধ থাকবে। জারি রইল স্থিতাবস্থা।
কার্যালয়টি যে জমির উপর নির্মিত হয়েছে, সেই জমি ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ নামে একটি সংস্থার নামে কেনা হয়েছিল। সংস্থার আইনজীবীর পক্ষ থেকে জরুরি শুনানির আর্জি জানানো হয়েছিল। রবিবার সকালেই জানা যায়, বেনজিরভাবে, ছুটির দিনেই এই মামলার শুনানি-সম্ভাবনা।
প্রশাসনিক সূত্রের খবর, ৩০ জুন প্রথম নোটিস পাঠানো হয়েছিল সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে। পরে ৭ জুলাই দ্বিতীয় নোটিসও দেওয়া হয়। পাশাপাশি, ১৫ জুলাই দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসনের দপ্তরে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় নথি পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ, কোনও নোটিসেরই উত্তর দেওয়া হয়নি এবং নির্ধারিত দিনেও হাজিরা দেওয়া হয়নি। এরপরই প্রশাসন আরও কঠোর অবস্থান নেয়। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, এই ভবন-ভাঙা ইস্যুতে অভিযোগ, ভবনের মালিকের কাছে কোনও নোটিস যায়নি। এই মামলার শুনানিতে, আজ পরবর্তী নির্দেশের আগে ভাঙার কাজে স্থগিতাদেশ দিল আদালত। তবে এর আগে যা হয়েছে, অর্থাৎ ল্যাপটপ থেকে ট্রাঙ্ক ভর্তি নথি সরানো, সেই বিষয়েও সাংসদের তরফে পুলিশকে নির্দেশের আবেদন জানানো হয়েছিল, তবে আদালত তাতে হস্তক্ষেপ করেনি বলেই খবর সূত্রের।