কথায় বলে, রথের রশিতে টান পড়লেই নাকি উমা আসেন বাপের বাড়িতে। সেইমতো পুজো কমিটিগুলি দুর্গাপুজোর আয়োজন শুরু করেছে। বৃষ্টিভেজা রবিবারে হয়ে গেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের খুঁটিপুজো। কলকাতার নামজাদা পুজোগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। তাই স্বাভাবিকভাবেই পুজোয় থাকছে বিশেষ চমক।
বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের পুজো হিসাবেই পরিচিত সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। প্রতিবছর থিমসজ্জায় থাকে কিছু না কিছু নতুন ভাবনা। এবারের থিম ‘সনাতনী চেতনায় বন্দে মাতরম’। বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, “এবারের ভাবনা ভাষায় ব্যাখ্যা করা যাবে না। অনুভবের ব্যাপার। পুজোর ইতিহাসে মানুষ যেটা দেখেনি। সেটাই দেখবেন। আলোর কাজ করব না।” শিল্পী শিবশংকর দাসের হাতের ছোঁয়া সাজবে মণ্ডপ। তিনি বলেন, “মণ্ডপের দ্বারোদঘাটনের পরই বোঝা যাবে আমরা কী কাজ করেছি।” শিল্পী মিন্টু পাল তৈরি করছেন প্রতিমা। তিনি বলেন, “সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের প্রতিমাকে সাবেকি মৃন্ময়ী রূপেই দেখা যাবে।” অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি চমক থাকবে বলেই খবর। অতীতে অমিত শাহ এই পুজো উদ্বোধন করেছেন। বদলের বাংলায় এবার কে পুজো উদ্বোধন করেন, সেটাই এখন দেখার।
১৯৩৬ সালে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার সর্বজনীন দুর্গাপুজো শুরু হয়। প্রতি বছর পুজোয় দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ চমকের বন্দোবস্ত করা হয়। অযোধ্যার রাম মন্দির, লাস ভেগাস স্ফিয়ার, বদ্রীনাথ মন্দিরের মতো নানা থিমে মণ্ডপ সাজানো হয়। গত বছর ‘অপারেশন সিঁদুরে’র থিমে মণ্ডপ তৈরি হয়। মণ্ডপে পহেলগাঁও এবং লাইট অ্যান্ড সাউন্ডে অপারেশন সিঁদুর ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। যা দেখে মুগ্ধ হন অনেকেই। এবারের চমকে মোড়া মণ্ডপ দেখে দর্শনার্থীরা আরও অনেক বেশি খুশি হবে বলেই আশা উদ্যোক্তাদের।