এই সময়, আলিপুরদুয়ার: বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের কোর এলাকায় বড় ও ছোট মহাকাল মন্দিরে পুণ্যার্থীদের আসা নিয়ে সংশয়ের অবসান ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বারের প্রেক্ষাপট আলাদা। কারণ গান্ধী জয়ন্তীর দিন বক্সায় ভিন রাজ্য থেকে বাঘ আনার দিনক্ষণ ঠিক করেছে বন দপ্তর।
ওই 'রি-ইন্ট্রোডাকশন' প্রকল্প ঘিরে শ্রাবণী মেলায় পুণ্যার্থীদের সমাগম নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কিন্তু ওই সংশয় কাটাতে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ঘোষণা করেন যে, রাজ্য সরকার ধর্মীয় পর্যটনে কোনও বিঘ্ন সৃষ্টি করবে না। 'সনাতনী' নিয়ম মেনেই এ বারেও বক্সার বড় ও ছোট মহাকালে শ্রাবণী মেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন পুণ্যার্থীরা। তবে কড়া বিধিনিষেধ মেনে হবে মহাকালে।
রবিবার বন দপ্তর, পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের বৈঠকে ঠিক হয়, পুণ্যার্থীদের প্লাস্টিকের বোতলে জল আনতে দেওয়া হবে না। তাঁরা মদ কিংবা মাদক সঙ্গে রাখতে পারবেন না। নিষিদ্ধ থাকবে ডিজেও। পানীয় জলের জন্য ওই জঙ্গল পথে বুথ করা হবে। থাকবেন চিকিৎসকরা।
পুরোনো অভিজ্ঞতা বলছে, শ্রাবণী মেলায় বক্সার কোর এলাকায় পুণ্যার্থীদের ফেলে যাওয়া বর্জ্য বন দপ্তরের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী ধর্মীয় পর্যটনে বাধা না দিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে বক্সার মহাকালে শ্রাবণী মেলার ছাড়পত্র দিয়েছেন। কিন্তু সেই সুযোগ নিয়ে কেউ যদি জঙ্গলের আইন ভাঙার চেষ্টা করেন, তবে তাঁদের রেয়াত করা হবে না।' বন্যপ্রাণীদের যাতে উত্ত্যক্ত না-করা হয়, যৌথ ভাবে কড়া নজরদারি করবে পুলিশ ও বন দপ্তর।