৩ শর্তের একটি মানলেই অনশন প্রত্যাহার! সংসদ অভিযানের আগে খোলা চিঠি ওয়াংচুকের
প্রতিদিন | ২০ জুলাই ২০২৬
অবশেষে অনশন প্রত্যাহারে রাজি পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। এবং সেটা হতে পারে সোমবারই। তবে সেটার জন্য তিনটি শর্ত দিয়েছেন সমাজকর্মী। যে কোনও একটি পালন করলেই অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি তিনি। এর আগে তাঁর স্ত্রী জানিয়েছিলেন, রাজনৈতিক দলের নেতারা যদি সোনমকে আশ্বাস দেন যে শিক্ষা দুর্নীতি নিয়ে সংসদে আলোচনা হবে এবং সরকার দায়বদ্ধতা দেখাবে, তাহলে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে পারেন।
এবার সোনম নিজেই হাতে লেখা একটি খোলা চিঠি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন। ওই চিঠিতে তিনি তিনটি শর্তের কথা লিখেছেন। এর যে কোনও একটি সরকারকে পালন করতে হবে। চিঠিতে বন্ধু ও সমর্থকদের উদ্দেশে সোনম লিখেছেন, “আপনারা জানতে চাইছেন আমি অনশন কবে ভাঙব। আগেই বলেছিলাম, আমি ২০ জুলাই অনশন ভাঙতে পারি যদি সরকার শিক্ষাব্যবস্থার সাম্প্রতিক ব্যর্থতাগুলির দায় নেয়। বা আমি এবং সিজেপি নেতৃত্ব সংসদে যেতে পারলে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-সাংসদেরা বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনার আশ্বাস দেন বা শারীরিক এবং অন্যান্য পরিস্থিতির কারণে আমি সংসদে যেতে না-পারলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাংসদরা হাসপাতালে এসে আমার সঙ্গে দেখা করে ওই আশ্বাস দেন।”
যন্তরমন্তর থেকে তুলে এনে সোনম ওয়াংচুককে শনিবার সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করেছে দিল্লি পুলিশ। কিন্তু এখনও তাঁর অনশন ভাঙানো যায়নি। তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী আঙ্গমো দাবি করেছেন, হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাঁকে খাদ্যগ্রহণের জন্য চাপ দিলেও সোনম এখনও তরল খাবারও গ্রহণ করেননি। তবে সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর প্রথম দিন তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে পারেন। দুটি শর্ত তিনি দিয়েছিলেন। সোনম তিনটি শর্তের যে কোনও একটি মানার অনুরোধ করলেন।
উল্লেখ্য, সোমবারই ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিযানের কথা। সেই অভিযানে আমজনতাকে অংশ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন সোনম। তিনি জানিয়েছেন, “আমার শারীরিক অবস্থা যেমনই থাক, ‘সংসদ চলো’ অভিযানের পরেও আমার অনশন চলবে। একমাত্র ওই শর্ত মানা হলেই সেটা ভাঙতে পারে।” এদিকে পুলিশ ককরোচদের সংসদ ভবন অভিযানের অনুমতি দেয়নি। সংসদ ভবনের আশেপাশে রীতিমতো নিরাপত্তার ঘেরাটোপ তৈরি করা হয়েছে। আজ ‘ককরোচ’রা সংসদের দিকে এগোলেই পুলিশি অভিযান হতে পারে।