জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর মতোই এবার জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-কেও আইনি সুরক্ষা দিতে সংশোধনী বিল আনছে কেন্দ্রীয় সরকার। সংসদের বাদল অধিবেশনে পেশ হতে পারে Prevention of Insults to National Honour (Amendment) Bill, 2026, যেখানে গান গাইতে ইচ্ছাকৃত বাধা দিলে সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল ও জরিমানার প্রস্তাব রয়েছে।
নতুন বিলে কী প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে?
কেন্দ্রীয় সরকার Prevention of Insults to National Honour (Amendment) Bill, 2026 নামে একটি সংশোধনী বিল আনার প্রস্তাব করেছে, যাতে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া ইচ্ছাকৃতভাবে আটকানো, বাধা দেওয়া বা তাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল, জরিমানা অথবা দু’টিরই বিধান রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত বিলে।
এখনকার আইনে কী বলা আছে?
বর্তমান আইন মূলত জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-কে অসম্মান করা, গানে বাধা দেওয়া বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার মতো বিষয়ের উপর প্রযোজ্য। নতুন সংশোধনী বিলে সেই ধারার আওতা বাড়িয়ে ‘বন্দে মাতরম’-কেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বার বার একই অপরাধ করলে কী শাস্তি হবে?
প্রস্তাবিত বিল অনুযায়ী, কেউ একবার দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে ফের একই অপরাধ করলে কমপক্ষে এক বছরের জেল বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রয়েছে।
এই বিল কেন আনা হচ্ছে?
কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, জাতীয় প্রতীকগুলির মর্যাদা রক্ষার জন্য এই সংশোধনী আনা হচ্ছে। চলতি বছরের শুরুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নির্দেশ দিয়েছিল, সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার পরে ‘জন গণ মন’ পরিবেশিত হবে।
বিলটি কবে সংসদে পেশ হতে পারে?
সরকার সূত্রের খবর, বর্ষা অধিবেশনে লোকসভায় এই বিল পেশ করা হতে পারে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যেই এই বিলে অনুমোদন দিয়েছে।
এক নজরে
জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর সঙ্গেই জাতীয় গান (National Song) ‘বন্দে মাতরম’-কেও আইনি সুরক্ষা দিতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের। সংসদের বাদল অধিবেশনে (Monsoon Session) একটি সংশোধনী বিল আনার কথা ভাবছে কেন্দ্র। সেই বিলের নাম Prevention of Insults to National Honour (Amendment) Bill, 2026। এই বিল যদি আইনে পরিণত হয় তাহলে, ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া ইচ্ছাকৃতভাবে আটকানো, বাধা দেওয়া বা তাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ ৩ বছরের জেল, জরিমানা অথবা দু’টিরই বিধান রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত বিলে।
এখন এই আইন মূলত জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-কে অসম্মান করা, গানে বাধা দেওয়া, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার মতো বিষয়ের উপর প্রযোজ্য। নতুন সংশোধনী বিলে সেই ধারার আওতা বাড়িয়ে ‘বন্দে মাতরম’-কেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বন্ধ করার চেষ্টা করেন, গান গাইতে বাধা দেন অথবা গান গাওয়ার সময়ে এমন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন যাতে অনুষ্ঠানে সমস্যা হয়, তাহলে সেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এই আইনে মামলা করা যাবে। দোষী প্রমাণিত হলে তিন বছর পর্যন্ত জেল, জরিমানা অথবা উভয় শাস্তিই হতে পারে। আগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে ফের একই অপরাধ করলে কমপক্ষে এক বছরের জেল বাধ্যতামূলক করারও প্রস্তাব রয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, জাতীয় প্রতীকগুলির মর্যাদা রক্ষার জন্য এই সংশোধনী আনা হচ্ছে। চলতি বছরের শুরুতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নির্দেশ দিয়েছিল, সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’-এর ৬টি স্তবক গাওয়া হবে। তার পরে ‘জন গণ মন’ পরিবেশিত হবে।
সরকার সূত্রের খবর, বর্ষা অধিবেশনে লোকসভায় এই বিল পেশ করা হতে পারে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যেই এই বিলে অনুমোদন দিয়েছে। বিলটি পাস হলে ‘বন্দে মাতরম’ আইনি সুরক্ষার ক্ষেত্রে জাতীয় সঙ্গীতের সমমর্যাদা পাবে। সংসদে বিল পেশের পরে দুই কক্ষের অনুমোদন মিললে এবং রাষ্ট্রপতির সম্মতির পরে এটি আইনে পরিণত হবে।
FAQ
নতুন বিলের নাম কী?
বিলের নাম Prevention of Insults to National Honour (Amendment) Bill, 2026।
বন্দে মাতরম গাইতে বাধা দিলে কী শাস্তি হতে পারে?
দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল, জরিমানা অথবা উভয় শাস্তিই হতে পারে।
বার বার একই অপরাধ করলে কী শাস্তি?
আগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে ফের একই অপরাধ করলে কমপক্ষে এক বছরের জেল বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রয়েছে।
এই বিল কেন আনা হচ্ছে?
জাতীয় প্রতীকগুলির মর্যাদা রক্ষার জন্য এই সংশোধনী আনা হচ্ছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের।
বিলটি কবে সংসদে পেশ হতে পারে?
সরকার সূত্রের খবর অনুযায়ী, বর্ষা অধিবেশনে লোকসভায় এই বিল পেশ করা হতে পারে।
বিলটি কি ইতিমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে?
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যেই এই বিলে অনুমোদন দিয়েছে, তবে আইনে পরিণত হতে সংসদের দুই কক্ষ ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদন প্রয়োজন।
এই সংশোধনী বিল পাস হলে জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি জাতীয় গানও একই স্তরের আইনি সুরক্ষা পাবে। বিলটি সংসদে পেশের পর তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কী প্রতিক্রিয়া হয়, এবং তা কীভাবে পাস হয়, সেদিকেই এখন নজর থাকবে।