আজকাল ওয়েবডেস্ক: পঞ্চায়েত ব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বিধানসভায় সরব হলেন বিজেপি বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে বিরোধীদের বক্তব্য শোনার সংস্কৃতি ছিল না। তাঁর দাবি, আগে বিরোধী সদস্যদের মাত্র তিন মিনিট সময় দেওয়া হতো। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের মতামত শোনার সুযোগ দিচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, “আপনি বলুন, আমরা শুনব—এটাই গণতন্ত্র, এটাই রাজনৈতিক শিক্ষা।”
পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ২০১৮ ও ২০২৩ সালের নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল এবং বহু জায়গায় মনোনয়নপত্র ছিঁড়ে ফেলা হয়। তিনি বলেন, জনগণ জনপ্রতিনিধিদের পরিষেবা দেওয়ার জন্যই নির্বাচিত করেছেন। তাই কাজ করতে হবে, না হলে পদত্যাগ করতে হবে। “মাঝখানে কোনও রাস্তা নেই,” মন্তব্য তাঁর।
২০২১ সালের রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গও তোলেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর দাবি, ঘরছাড়া মানুষের তালিকাও তৎকালীন সরকার দিতে পারেনি। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের একাংশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি এবং কিছু ক্ষেত্রে বিডিওদের সামনেই শাসকদলের প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, যে সব জনপ্রতিনিধি দায়িত্ব পালন করছেন না বা পঞ্চায়েতের কাজে অংশ নিচ্ছেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই; মানুষের জন্য কাজ করতেই হবে।