আহমেদাবাদ, ২০ জুলাই: ফের এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটলো দেশে। সম্প্রতি এ রাজ্যের বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে এক অভিযুক্ত পুলিশের উপর আক্রমণ করে পালানোর চেষ্টা করলে এনকাউন্টারে নিহত হয়। এবার একই কারণে এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটলো গুজরাটের আনন্দ জেলায়। অভিযোগ শনিবার রাত থেকে পাওয়া যাচ্ছিল না ভাসাদ রেল স্টেশনে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঘুমানো এক সাড়ে চার বছরের শিশুকে। রবিবার ভোরে তার নিথর দেহ পাওয়া যায় স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনের ওপর। এরপরই তদন্ত শুরু করে রেলওয়ে পুলিশ, আনন্দের জেলা পুলিশ, লোকাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ, এবং ভাসাদ পুলিশের একাধিক দল। তদন্তে খতিয়ে দেখা হয় রেল স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ। দেখা যায়, এক ব্যক্তি প্লাটফর্ম থেকে শিশুটিকে তুলে নিয়ে পালাচ্ছে। তদন্তকারীরা জানতে পারেন সেই ব্যক্তির নাম সুরেশ পার্মার। বাড়ি আনন্দ জেলার বরসাদ শহরে। এরপর বরসাদ থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে তুলে দেয় লোকাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে।
অভিযোগ তাকে আনন্দ শহরে নিয়ে আসা হচ্ছিল। পুলিশের দাবি, মাঝপথে হঠাৎই বমি করার অজুহাতে সে গাড়ি থেকে নামে। তার কাছে ছিল লুকানো ছুরি। সেই ছুরি দিয়ে সে অতর্কিতে হামলা চালায় পুলিশকর্মীদের ওপর। আচমকা এই আক্রমণে গুরুতর আহত হন দুই পুলিশ কর্মী। এরপরও অভিযুক্তকে বারবার আত্মসমর্পণের কথা বলেন পুলিশ কর্মীরা। সে কথায় কান না দিলে, আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালাতে বাধ্য হয় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ সুরেশ পার্মারকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। খুনের আগে শিশুটির উপর শারীরিক নির্যাতন হয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাও।