একটি এফআইআরের ভিত্তিতে করা মামলায় ইডির তদন্তে এই দুর্নীতির কথা উঠে আসে। জানা গিয়েছে, ছ'বছরে (২০১৪ থেকে ২০২০ সাল) বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে টাকা তোলা হয়েছে। মোটা অঙ্কের সুদের টোপ দিয়ে প্রায় ১৬০ কোটি টাকার বেশি প্রতারণা করা হয়েছে। প্রায় ১৯ হাজার মানুষ প্রতারিত।
তদন্তে ইডি জানতে পেরেছে যে, একটি চক্র রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দিত টাকার বিনিময়। বিভইন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষকে প্রলোভনও দিত। টাকা বেশি দিলে সুবিধা বেশি মিলবে, এই টোপ দিয়ে চলত মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ। কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথিও পেয়েছে ইডি। সেইগুলোর আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা চলছে।
প্রতারণার এই মামলায় অভিজিৎ দাস নামে একজনের নাম উঠে এসেছে। কিন্তু তদনতকারীরা এদিন সকালে তাঁদের বাড়িতে গেলেও কাউকেই পাওয়া যায়নি বলে খবর। অভিযোগ, বিশ্বাস ফিসারিস থেকে শুরু করে একাধিক কোম্পানি খুলেছিল অভিজিৎ। অভিযোগ, সেই সংস্থার আড়ালেই চলত লোক ঠকানোর কাজ।