রাতভর একুশে জুলাই সভাস্থল পাহারায় মমতা, BJP-র বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ
আজ তক | ২১ জুলাই ২০২৬
ফের রাস্তায় মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে রাতভর ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ পাহারা দিলেন তিনি। একই সঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নিশানায় শাসক শিবিরও। মমতা দাবি করেন, ২১ জুলাইয়ের অনুষ্ঠান বানচাল করতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে বিজেপি।
ঘটনার সূত্রপাত গতকাল থেকেই। সোমবার ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সন্ধেবেলা বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। এরপর রাতে ওই এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। তড়িঘড়ি ফের সভাস্থলে পৌঁছন মমতা-অভিষেক। সেখানেই রাতভর অবস্থান করে সভামঞ্চ পাহারা দেন মমতা ও তৃণমূলের অন্য নেতা-নেত্রীরা।
তৃণমূল নেত্রী দাবি করেন, রাতের অন্ধকারে একুশে জুলাইয়ের সভামঞ্চ ভাঙচুর করেছে বিজেপির গুন্ডাবাহিনী। ফেসবুকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় লেখেন, "রাতের অন্ধকারে এসে আমাদের একুশে জুলাইয়ের সভামঞ্চ ভাঙচুর করেছে বিজেপির গুন্ডাবাহিনী। এটি কেবল একটি মঞ্চ ভাঙার ঘটনা নয়, এটি সরাসরি রাজ্যের সাধারণ মানুষ এবং আমাদের অগণিত কর্মী-সমর্থকদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও অনুভূতির ওপর পরিকল্পিত আক্রমণ।"
পাশাপাশি তৃণমূল নেত্রী দাবি করেন, "এটি কেবল একটি মঞ্চ ভাঙার ঘটনা নয়, এটি সরাসরি রাজ্যের সাধারণ মানুষ এবং আমাদের অগণিত কর্মী-সমর্থকদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও অনুভূতির ওপর পরিকল্পিত আক্রমণ।"
এদিন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সঙ্গে রাতভর অবস্থানে ছিলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র থেকে কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়ও। পরে সকালে সব নেচা নেত্রীরা বাড়ি ফিরে যান। এখনও সভাস্থলে চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ।
আসলে চলতি বছরে একুশে জুলাই নিয়ে প্রথম থেকেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন মমতা। প্রথমত, একুশে জুলাইয়ের আগে তাঁরই সঙ্গ ছেড়েছেন একদা 'আস্থাভাজন' সব নেতা। দ্বিতীয়ত, এই সভা করার অনুমতি পেতেও তাঁকে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে বিড়লা প্ল্যানেটোরিয়ামের সামনে সভা করার অনুমতি দেয়।