• দিল্লির রাজঘাটে ‘শহিদ’ স্মরণ সভা করল NCPI, কী বললেন সাংসদ কাকলি?
    এই সময় | ২১ জুলাই ২০২৬
  • কর্মসূচি পূর্বনির্ধারিতই ছিল। সেই মতো মঙ্গলবার দিল্লির রাজঘাটে ২১ জুলাই কর্মসূচি পালন করল এনসিপিআই। সদ্য তৃণমূল ছেড়ে যে বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদ অখ্যাত এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন, তাঁদেরই একাংশ ছিলেন ওই কর্মসূচিতে। ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ ভৌমিক, খলিলুর রহমান, আবু তাহের খান এবং ইউসুফ পাঠান।

    কী বললেন কাকলি?

    শহিদ তর্পণ কর্মসূচির পরে কাকলি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘কে বা কারা কোথায় কী করেছে, তা আমার জানা নেই। আমরা এখানে শহিদ তর্পণ করলাম। শহিদদের স্মরণ করলাম।’ বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিগত সরকারকেও বিঁধেছেন বারাসতের সাংসদ কাকলি। তিনি বলেন, ‘আগের সরকার যে ভাবে লুট করেছে, তারই ফলাফল পেয়েছে গত বিধানসভা ভোটে।’

    ২১ জুলাইয়ের চার সভা

    কলকাতায় ২১ জুলাইয়ের তিনটি সমাবেশ হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবিরের সভা তারামণ্ডলের কাছে। অন্য দিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির সভার আয়োজন করেছে মেয়ো রোডে। আর কংগ্রেসের সভা শহিদ মিনারে। এনসিপিআই-ও আগে জানিয়েছিল, তারাও ২১ জুলাইয়ের সভা করবে। সেই মতোই দিল্লির রাজঘাটে স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। কাকলি আগেই বলেছিলেন, ‘শহিদ কিন্তু সকলের। যিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে শহিদ হয়েছেন, তিনি শহিদ। আবার যিনি বাংলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে প্রাণ দিয়েছেন, তিনিও শহিদ। ফলে তাঁদের সম্মান জানানো কাজ। বিশেষ করে যাঁরা রাজনীতি করেন, তাঁদের তো বটেই। আর ঘটনা তো আমার চোখে সামনে ঘটেছিল। তাই শুধু আমার শহিদ তোমার শহিদ, শহিদ মিনারের শহিদ নাকি গান্ধীমূর্তির পাদদেশের শহিদ, সেটা বড় কথা নয়। পৃথিবীর সকল শহিদদের সম্মান জানানো কর্তব্য বলে আমরা সেটা পালন করব।’

  • Link to this news (এই সময়)