বিদেশ নয়, এবার বাংলাতেই 'হাইটেক' ফুলবাজার! ঠাকুরনগরের ভাগ্য বদলাতে বিশাল মাস্টারপ্ল্যান
News18 বাংলা | ২১ জুলাই ২০২৬
: এবার বদলাতে চলেছে ঠাকুরনগরের ফুল ব্যবসার চেনা ছবি! আধুনিকতার ছোঁয়া, পরিকাঠামো উন্নয়নে সরেজমিনে খোদ জেলাশাসক। উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরের ঐতিহ্যবাহী ফুলশিল্পকে আরও আধুনিক, সুসংগঠিত ও বাজারমুখী করে তোলার লক্ষ্যে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করলেন জেলার জেলাশাসক শিল্পা গৌরী সারিয়া। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কৃষি ও উদ্যানপালন দফতরের একাধিক আধিকারিক। পরিদর্শনের শুরুতেই জেলাশাসক নির্মীয়মাণ ঠাকুরনগর ফুলমান্ডির কাজ খতিয়ে দেখেন।
দ্রুত নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ করে ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীদের ব্যবহারের জন্য তা দ্রুত চালু করার নির্দেশ দেন তিনি। এরপর ঠাকুরনগরের ফুলবাজার ঘুরে ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। বাজারের পরিকাঠামো উন্নয়ন, ফুলচাষে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, চাষিদের প্রশিক্ষণ এবং ফুলবাজারের সামগ্রিক মানউন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এরপর পরিদর্শনের শেষ পর্যায়ে জেলাশাসক শিমুলপুর ষষ্ঠীতলায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবং উদ্যানপালন দফতরের পরিকল্পনায় নির্মিত একটি প্লাস্টিক পলি মারচিং হাউস পরিদর্শন করেন। সেখানে আধুনিক পদ্ধতিতে ফুলচাষের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন এবং উৎপাদন বৃদ্ধি ও উন্নত মানের ফুলচাষে এই ধরনের সাফল্য ও তার গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রশাসনের এই উদ্যোগে আশাবাদী ঠাকুরনগরের ফুলচাষি ও ব্যবসায়ীরা।
তাঁদের আশা, আধুনিক পরিকাঠামো, উন্নত প্রযুক্তি এবং সরকারি সহযোগিতা মিললে ঠাকুরনগরের ফুলশিল্প আরও প্রসার লাভ করবে এবং রাজ্যের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য বাজারেও এই অঞ্চলের ফুলের চাহিদা বাড়বে। প্রশাসনের এই উদ্যোগে ফুলশিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখছেন এলাকার ফুল চাষি ও ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের কথায়, দীর্ঘ বছর ধরে এভাবেই এলাকার চাষীরা ফুল নিয়ে এসে এই খানে হাজির হন। এই ফুল বাজার থেকেই ফুল পৌঁছে যায় কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। তবুও এই বাজারের উন্নয়ন হয়নি কোনও। নতুন সরকার এই বাজারের উন্নতিতে ভাবনা চিন্তা করছে, এখন দেখার কত দিনে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়। এর ফলে ঠাকুরনগর এলাকার ফুল ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কয়েক হাজার মানুষ উপকৃত হবেন। এখন কত দিনে বদলায় ঠাকুরনগরের এই ফুল বাজারের হাল সেদিকেই তাকিয়ে ব্যবসায়ী থেকে চাষিরা সকলেই।