বাইকই ছিল জীবন। সেই বাইকের দুর্ঘটনাই কাড়ল প্রাণ। ৪৪ বছরে থেমে গেল কলকাতা ঢাকুরিয়ার দেবাহুতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন। রবিবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ খড়্গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত জাতীয় সড়কের বালিহাটি এলাকায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
পরিবার ও সহযাত্রীদের দাবি, বালিহাটি এলাকায় জাতীয় সড়কের উপরে থাকা একটি গর্তের কারণে দেবাহুতির বাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়েন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে খড়্গপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন দেবাহুতি ও আরও আট জন চাঁদিপুর থেকে বাইক চালিয়ে কলকাতায় ফিরছিলেন এবং সেই দলের সদস্য ছিলেন দেবাহুতির ছেলে অনিকেতও, যিনি মায়ের বাইকের কিছুটা সামনেই অন্য একটি বাইকে ছিলেন এবং পিছন থেকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন।
দেবাহুতির বাইকে থাকা টুম্পা পাল সামান্য আহত হন এবং তাঁকে মেদিনীপুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
রবিবারই দেবাহুতির দেহ মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের পরে রাতেই দেহ কলকাতার ঢাকুরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সোমবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।
বাইকই ছিল জীবন। সেই বাইকের দুর্ঘটনাই কাড়ল প্রাণ। ৪৪ বছরে থেমে গেল কলকাতা ঢাকুরিয়ার দেবাহুতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবন। রবিবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ খড়্গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত জাতীয় সড়কের বালিহাটি এলাকায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
এক বেসরকারি সংস্থার কর্মী ছিলেন দেবাহুতি। তাঁর জানপ্রাণ ছিল দু’চাকার যানটি। বাইক রাইডিং ছিল তাঁর প্যাশন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন দেবাহুতি ও আরও ৮ জন চাঁদিপুর থেকে বাইক চালিয়ে কলকাতায় ফিরছিলেন। সেই দলের সদস্য ছিলেন দেবাহুতির ছেলে অনিকেতও। অনিকেত জানান, তিনি মায়ের বাইকের কিছুটা সামনেই অন্য একটি বাইকে ছিলেন। হঠাৎ পিছন থেকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছন।
পরিবার ও সহযাত্রীদের দাবি, বালিহাটি এলাকায় জাতীয় সড়কের উপরে থাকা একটি গর্তের কারণে দেবাহুতির বাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারায়, রাস্তায় ছিটকে পড়েন দেবাহুতি। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে খড়্গপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, দেবাহুতির বাইকে থাকা টুম্পা পাল সামান্য আহত হন। তাঁকে মেদিনীপুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
রবিবারই দেবাহুতির দেহ মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের পরে রাতেই দেহ কলকাতার ঢাকুরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। সোমবার তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।
দেবাহুতির মৃত্যুর খবরে বিভিন্ন বাইকিং কমিউনিটির তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করেছে। হেলমেট-সহ সব রকম সতর্কতা নেওয়ার পরেও কী ভাবে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জাতীয় সড়কের বিভিন্ন জায়গায় গর্ত তৈরি হওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়েই চলেছে। দ্রুত রাস্তা সংস্কার এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি তুলেছেন সাধারণ মানুষ।
দুর্ঘটনাটি কোথায় ও কবে ঘটেছে?
রবিবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ খড়্গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত জাতীয় সড়কের বালিহাটি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দেবাহুতি বন্দ্যোপাধ্যায় কে ছিলেন?
তিনি কলকাতার ঢাকুরিয়ার বাসিন্দা, বয়স ৪৪, একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী এবং বাইক রাইডিং ছিল তাঁর প্যাশন।
দুর্ঘটনার কারণ কী বলে জানা যাচ্ছে?
পরিবার ও সহযাত্রীদের দাবি অনুযায়ী, জাতীয় সড়কের উপরে থাকা একটি গর্তের কারণে বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার সময় দেবাহুতি কাদের সঙ্গে ছিলেন?
তাঁর ছেলে অনিকেত-সহ মোট ৯ জন সঙ্গে ছিলেন।
দুর্ঘটনায় আর কেউ আহত হয়েছেন কি?
হ্যাঁ, দেবাহুতির বাইকে থাকা টুম্পা পাল সামান্য আহত হন, যাঁকে মেদিনীপুরের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।