• ‘প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া উচিত’, ‘ককরোচ’ বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জে ক্ষুব্ধ রাহুল
    প্রতিদিন | ২১ জুলাই ২০২৬
  • সোমবার ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র সংসদ অভিযানকে (CJP Protest) কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা দিল্লি। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের সেলও। সেই ঘটনায় ক্ষুব্ধ কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi )। তিনি বললেন, “প্রধানমন্ত্রীর উচিত ক্ষমা চাওয়া উচিত।”

    মঙ্গলবার সংসদের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন রাহুল। তিনি বলেন, “গতকাল যা ঘটেছে তার জন্য মোদির ক্ষমা চাওয়া উচিত। কিন্তু তিনি এখনও নিশ্চুপ। মানুষকে মারধরের মতো ঘটনাগুলি একেবারেই ভারতীয় সংস্কৃতির পরিপন্থী।” দেশের শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীরা যে সমস্যাগুলি তুলে ধরছেন, সেগুলিও উথ্থাপন করেন রাহুল। বলেন, “এই উদ্বেগ শিক্ষার গণ্ডি ছাড়িয়ে অনেক বড় একটি বিষয়।” দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থা অস্তিত্বহীন এবং অন্তঃসারশূন্য হয়ে গিয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। আন্দোলকারীদের সমর্থন করে তিনি বলেন, “তাঁদের কোনও দোষ নেই। প্রধানমন্ত্রী কেন নীরব? তাঁর উচিত শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং অসংগত কর্মকাণ্ড বন্ধ করা।”

    দিল্লি পুলিশের তরফে অনুমতি না দেওয়া হলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার সকালে সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে ‘আরশোলা’দের এই অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় রাজধানী। ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হলে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। প্রায় ৫০০০ পুলিশ ও আধা সেনা নামিয়ে কার্যত ঘিরে ফেলা হয় যন্তর মন্তর চত্ত্বর। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। পরে আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে দুই ‘ককরোচ’ প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনায় বসেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)