• তৃষার রহস্যমৃত্যুর নেপথ্যে কি লিভ-ইন পার্টনারের সঙ্গে মনোমালিন্য?
    এই সময় | ২১ জুলাই ২০২৬
  • নিউ টাউনে তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় এখনও রহস্য কাটেনি। এখনও হাসপাতালে ভর্তি তরুণীর লিভ-ইন পার্টনার। কেন এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ধন্দে নিউ টাউন থানার পুলিশও। তবে কি তৃষা সাহা (২৫) ও তাঁর লিভ-ইন পার্টনার সৌভিক রায়ের (৩০) ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপড়েনই নেপথ্যে?

    একই জেলায় বাড়ি তৃষা ও সৌভিকের। তৃষা ব্যারাকপুরের মেয়ে, সৌভিকের বাড়ি নৈহাটি। কলকাতায় কর্মসূত্রে তাঁদের আলাপ। এর পরে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এক ছাদের তলায় থাকার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। তাঁদের লিভ-ইন সম্পর্কের কথা দুই বাড়িতেই জানত। যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন, তার মালিকও জানেন।

    রবিবার রাতে নিউ টাউনের চণ্ডীবেড়িয়ার ওই ফ্ল‌্যাটের ভিতর থেকেই উদ্ধার হয় তৃষার ঝুলন্ত দেহ। গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সৌভিককে। তাঁর হাতের শিরা কাটা ছিল। এখনও সৌভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যে বাড়িতে তাঁরা থাকেন, সেই বাড়ির মালিকের নাম সুদাম মাইতি। তিনিই প্রথম পুলিশে খবর দেন।

    সুদাম মাইতির দাবি, ঘটনার দিন প্রথমে সৌভিক তাঁকে ফোন করে জানান, তৃষা আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়েই তিনি দ্রুত ফ্ল্যাটের দরজার সামনে পৌঁছন। বারবার দরজায় কড়া নাড়লেও কোনও সাড়া মেলেনি। একাধিকবার ফোন করেও যোগাযোগ করা যায়নি। কিছুক্ষণ পরে সৌভিক ফের ফোন করলে তিনি আবার দরজার সামনে যান। দরজা খুলতেই তিনি দেখতে পান রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন সৌভিক এবং ঘরের ভিতরে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন তৃষা। পরিস্থিতি বুঝে উঠতে না পেরে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন তিনি।

    সুদাম জানান, ৪-৫ মাস ধরে এই যুগল এখানে থাকতেন। প্রায় ১১ হাজার টাকা ভাড়া দিতেন। তাঁদের মধ্যে কোনও অশান্তি, ঝগড়া বা বিবাদের কথা কখনও কানে আসেনি। আবাসনের অন্য বাসিন্দারাও কখনও শোনেননি। ভাড়ার চুক্তিপত্র-সহ সমস্ত নথিও খতিয়ে দেখছে নিউ টাউন থানার পুলিশ।

  • Link to this news (এই সময়)