• হোটেল থেকে মহিলার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, আটক লিভ-ইন পার্টনার, চাঞ্চল্য মধ্যমগ্রামে
    এই সময় | ২২ জুলাই ২০২৬
  • হোটেল থেকে এক মহিলার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের ঘটনা। তবে এ দিন বিষয়টা প্রকাশ্যে এসেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম রিনা রাম (৩৮)। গৌরব শেঠ ওরফে রাহুল নামে এক যুবকের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ। মাঝে মধ্যেই ওই হোটেলে দু’জনে দেখা করতেন বলেও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গৌরবকে আটক করেছে পুলিশ।ঘটনাটি খুন না আত্মহত্যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    এক নজরে

    উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের ব্ল্যাক ডায়মন্ড হোটেল থেকে ৩৮ বছরের এক মহিলার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার।

    মৃতার নাম রিনা রাম, তিনি পাটুলির নারকেলবাগান এলাকার বাসিন্দা।

    ১৭ জুলাই হোটেলের ১০১ নম্বর রুম ভাড়া নিয়েছিলেন তিনি।

    পরদিন সকালে দরজা না খোলায় হোটেল কর্মীদের খবর পেয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে দেহ উদ্ধার করে।

    মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রিনা মধ্যমগ্রামের পাটুলির নারকেলবাগান এলাকার বাসিন্দা। গত ১৭ জুলাই মধ্যমগ্রামের ব্ল্যাক ডায়মন্ড হোটেলের ১০১ নম্বর রুম ভাড়া নেন তিনি। রাতে হোটেলেই কাটান।কিন্তু পরের দিন সকালে দরজা না খোলায় সন্দেহ হয় হোটেলের কর্মীদের। তাঁরা মধ্যমগ্রাম থানায় খবর দেন। কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকে পুলিশ। তখনই সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় রিনা রামের দেহ দেখতে পান তাঁরা। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় পুলিশ।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় আলাদা থাকতেন রিনা। তবে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। রিনার এক মেয়েও রয়েছে। তাঁর অবশ্য বিয়ে হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পাটুলিরই বাসিন্দা গৌরব শেঠের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, রিনা মাঝেমধ্যেই ওই হোটেলে ঘর ভাড়া নিতেন। গৌরবও সেখানে আসতেন তাঁর সঙ্গে দেখা করতে।

    মৃতার পরিবারের অভিযোগ, কয়েকদিন আগে রিনা ও গৌরবের মধ্যে বচসা হয়েছিল। তাঁদের দাবি, রিনার মৃত্যুর পিছনে গৌরবের ভূমিকা থাকতে পারে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গৌরব শেঠকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

    ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও কারণে মহিলার মৃত্যু হয়েছে, তা জানতে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড এবং ফরেন্সিক তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সামনে আসবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

  • Link to this news (এই সময়)