মঙ্গলবার সকালে ‘আরশোলা’দের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের ধরনায় ধুন্ধমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। এক সময় দিল্লি পুলিশ আটক করে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে। সূত্রের খবর, মন্দির মার্গ থানায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে নিয়ে যাওয়া হয়। বেশি রাতে সেখানে পৌঁছেছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। ঠিক কী কারণে বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেত্রী থানায় গিয়েছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভের পর রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও এদিন আটক করা হয় সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবকে। এছাড়াও কয়েক জন কংগ্রেস কর্মীকে আটক করে পুলিশ। এরপর রাতে মন্দির মার্গ থানায় হাজির হন সোনিয়া গান্ধী। একটি ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে প্রিয়াঙ্কা ও সোনিয়া একসঙ্গে দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে খবর, ছত্রসাল স্টেডিয়ামে আটক করে রাখা হয়েছিল রাহুলকে। তাঁকেও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনের সামনে উপস্থিত হন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। তারপর সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন অর্থাৎ ৭, লোক কল্যাণ মার্গের উদ্দেশ্যে শুরু হয় মিছিল। সেখানে যোগ দেন অখিলেশও। এরপরই মোদির বাসভবনের বাইরে আঁটসাঁট করা হয় নিরাপত্তা। মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ। নামানো হয় র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স। বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অবিলম্বে ইস্তফা দিতে হবে। তোলেন স্লোগানও। ঘটনাস্থলে যান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। দেখা করেন রাহুলের সঙ্গে। কিন্তু তাঁর আশ্বাসের পরও সারারাত মোদির বাসভবনের বাইরে ধরনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস।