‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
প্রতিদিন | ২২ জুলাই ২০২৬
ছাত্রদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা হচ্ছে। এই ভাষাতেই বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসকে তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির পর প্রথমবার মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী। রাহুলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেবলমাত্র ক্ষোভপ্রকাশ ছাড়াও ছাত্রদের জন্য অনেক কিছু করণীয়।
মঙ্গলবার রাতে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কের সমাধানের বদলে কংগ্রেস সংসদে গোলমাল পাকিয়ে বাদল অধিবেশনকে নিষ্ফলা করেছে। নিট (NEET) ইস্যুতে বিস্তারিত আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রস্তুত জানালেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে কংগ্রেস ধর্না বসেছিল। তিনি লিখেছেন, “বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সংসদের বাদল অধিবেশনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে নির্লজ্জভাবে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার করেছে।”
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালে ‘আরশোলা’দের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনায় বসেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। গোটা রাত অবস্থান বিক্ষোভ চালানো হবে জানিয়ে ছিলেন তিনি। এরপরই দিল্লি পুলিশ আটক করে কংগ্রেস নেতাকে। বেশ কয়েক ঘণ্টা পর ছত্রসাল স্টেডিয়াম থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কাকে আটক করে মন্দির মার্গ থানায় রাখা হয়েছিল। তাঁকেও মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও সোমবার পুলিশ-সিজেপি সমর্থকদের খণ্ডযুদ্ধের পর আটক করা আরও ৭০ জন মঙ্গলবার ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পাশাপাশি সরকারি নষ্টের অভিযোগ ছয়টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধী-সহ কংগ্রেসের ধরনার বিষয়টির তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি মন্তব্য করেন, “প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে রাহুল গান্ধীর আচরণ নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক। এটি ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে একটি কালো দিন।” এদিকে বেশি রাতে জন্তর মন্তর চত্বরে পৌঁছেছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তিনি সেজেপি-র বিক্ষোভে যোগ দিয়েছেন।