• ‘পড়াশোনা করে নম্বর বাড়াতে পারি, আন্দোলনে কেন যাব?’ মুখ খুললেন নিটে দ্বিতীয় স্থানাধিকারী
    প্রতিদিন | ২২ জুলাই ২০২৬
  • নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে উত্তাল দেশ। বিরোধীদের বিরুদ্ধে ছাত্রদের অসন্তোষকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছে শাসক দল। এই ডামাডোলের মাঝেই সামনে এল নিটের পুনর্পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থানাধিকারী পানশুল বনসল। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পড়াশোনা করে যেখানে নম্বর বাড়াতে পারি, সেখানে প্রতিবাদে শামিল হওয়া অর্থহীন।

    চলতি বছর নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় সেই পরীক্ষা বাতিল করে ফের পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। সফলভাবে সেই পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পাশাপাশি ফলও প্রকাশ্যে এসেছে। পাশ করেছেন ৫৬ শতাংশের বেশি পড়ুয়া। এই পুনর্পরীক্ষায় পরীক্ষা দিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন পানশুল বনসল। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দিল্লিতে চলমান আন্দোলনের কার্যত বিরোধিতা করে তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে মেডিক্যাল প্রবেশিকা বাতিল হওয়ার পর আমি হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু পরে সেটাকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করি। আমি ভেবে দেখলাম, কেন আমি বিক্ষোভে যাব? তার চেয়ে বাড়ি বসে পড়ে নিজের উন্নতি করতে পারি, নিজের নম্বর আরও বাড়াতে পারি।”

    বনসল আরও বলেন, “৩ মে নিতের পরীক্ষা দেওয়ার পর প্রাথমিকভাবে ভেবেছিলাম সরকারি মেডিক্যাল কলেজে সুযোগ পেয়ে যাব। কিন্তু পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় সত্যিই হতাশ হয়ে পড়ি। পরে অবশ্য সেটার ইতিবাচক দিক খুঁজে পাই এবং ২১ জুন হওয়া নিট পরীক্ষার প্রস্তুতিতে জোর দিই।” আর সেই রেশ ধরেই এবার নিটে ৭২০ নম্বরের মধ্যে ৭১৫ পেয়েছেন (পার্সেন্টাইল ৯৯.৯৯৯৯) বলে জানিয়েছেন হরিয়ানার ছেলে। নিটের পরীক্ষায় ব্যাপক সাফল্যের পর বনসলের সঙ্গে দেখা করে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন খোদ শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

    এদিকে পড়ুয়াদের আন্দোলন থেকে বিরোধীরা রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন খোদ শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্কের সমাধানের বদলে কংগ্রেস সংসদে গোলমাল পাকিয়ে বাদল অধিবেশনকে নিষ্ফলা করেছে। নিট (NEET) ইস্যুতে বিস্তারিত আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রস্তুত জানালেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের বাইরে কংগ্রেস ধর্না বসেছিল। তিনি লিখেছেন, “বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সংসদের বাদল অধিবেশনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে নির্লজ্জভাবে শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার করেছে।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)