দুর্ঘটনার কবলে রাজ্যের ক্যাবিনেট মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর স্ত্রী মালতি টুডু৷ বরাতজোরে প্রাণ রক্ষা,আহত অবস্থায় বর্ধমান মেডিকেলে চিকিৎসাধীন মালতি টুডু ও তাঁর গাড়ির চালক। জানা গিয়েছে, মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর স্ত্রী মালতি টুডু বুধবার সকালে একটি গাড়ি করে বর্ধমান থেকে বাঁকুড়া জেলায় তাঁর বাড়ি ফিরছিলেন। পূর্ব বর্ধমানের গলসীর কাছে ১৯ নং জাতীয় সড়কে সারুল এলাকায় ফ্লাইওভারের ওপর দুর্ঘটনাটি ঘটে।
চালক মঙ্গল মুর্মু জানান, একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি ভ্যানকে তারপর তাদের গাড়িতে ধাক্কা মারে। তিনি কোনওরকমে গাড়ির ব্রেক কষে নিয়ন্ত্রণ করেন। মালতি টুডু জানান, সামনে গাড়ি থাকলে আরও বড় বিপদ হত।
এরপর ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসে। মালতি টুডুর মাথায় ও বাঁ হাতে চোট লেগেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সি টি স্ক্যানও করা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়ির চালক মঙ্গল মুর্মুর হাতে আঘাত লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও আহত ভ্যান চালকও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানা গিয়েছে।
মালতি টুডু জানালেন, ‘‘ট্রাকটা প্রথমে সামনের ভ্যান চালককে ধাক্কা দেয়৷ উনাকে মেরে আমাদের মেরেছে৷ সামনে কোনও গাড়ি-ঘোড়া ছিল না৷ থাকলে আরও বড় বিপদ হতে পারত৷’’
প্রসঙ্গত, গতকাল, মঙ্গলবারেই খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি থাকা এক রোগীর ফোন পেয়েই নিজের প্রথম মাসের মন্ত্রী ভাতার প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয় করে খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে ৫৫০ ফুট গভীর গভীর নলকূপ-সহ সাবমারসিবল পাম্প বসানোর উদ্যোগ নেন মন্ত্রী। এদিন ফিতে কেটে এই নতুন জল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধনের পর গভীর নলকূপ থেকে প্রথম ওঠা জল গ্লাসে তুলে পান করেন হাসপাতালের সুপার রতন শাসমল, মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু এবং উপস্থিত বিজেপি নেতৃত্ব। এর আগে হাসপাতালের একটি ছোট পানীয় জল প্রকল্প থাকলেও তা রোগীর চাহিদা পূরণে যথেষ্ট ছিল না। হাসপাতালটি টিলার উপরে হওয়ায় এখানে জল পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। অতীতে একাধিকবার বোরিং করা হলেও সাফল্য মেলেনি। ফলে হাসপাতালটি মূলত জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের নলবাহিত জলের উপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু সেই জলও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম ছিল।