• ‘দিদিকে বুঝতে হবে, না বুঝলে উনি…’, অভিষেককে টেনে ফের ‘অভিমানী’ কল্যাণ
    এই সময় | ২২ জুলাই ২০২৬
  • ফের বেসুরো তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে ঘটনার সূত্রপাত। অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কল্যাণকে দ্রুত বক্তৃতা শেষ করতে বলায় মঞ্চে ক্ষোভ প্রকাশ করেন কল্যাণ। এর পরে বুধবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে দলনেত্রীর বিরুদ্ধে একের পরে এক অভিযোগ তোলেন কল্যাণ। যদিও কল্যাণের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মমতাপন্থী শিবিরের কোনও নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    তৃণমূলের আরেক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে কল্যাণ এ দিন বলেন, ‘অভিষেক অত বড় নেতা। কেন ২১ জুলাইর আগে জেলায় জেলায় ঘুরল না? দিদি চাইলে শুধু অভিষেককে নিয়ে থাকুক। কোটি কোটি লোকের জন্য দিদি নেত্রী হয়েছেন, কোনও রক্তের সম্পর্কের জন্য হননি।’

    কেন অভিষেককে দলের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখিয়েছেন একাধিক বিধায়ক। অনেকটা সেই সুরেই এ দিন কল্যাণ বলুন, ‘শুধু অভিষেক অভিষেক করলে সমস্যা হয়। আমার জায়গা চলে যাচ্ছে এই যদি কেউ ভাবে তা হলে শেষ। দিদিকে বুঝতে হবে না বুঝলে উনি দল করছেন, উনি শেষ করবেন।’

    বিধানসভা নির্বাচনের পরে বিরোধী দল হিসেবে প্রথম বড় পরীক্ষা ছিল ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি। নির্দিষ্ট জায়গা ও নির্দিষ্ট সংখ্যক কর্মী নিয়ে আদালত শর্ত বেঁধে দিলেও মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে কর্মীদের ভিড় থেকে কিছুটা সন্তুষ্ট দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কল্যাণের দাবি, সেই ভিড় দেখেই হয়তো দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ হেন আচরণ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘একদিনে একটি মিটিংয়ের লোক দেখে উথলে উঠলে হবে না। লড়াই করতে হবে। আমাকেও মানুষ ভালোবাসে, এটা মেনে নিতে হবে। আমি ওই ৬০ জন (বিদ্রোহী শিবিরের ৬০ বিধায়ক) কিংবা ২০ জনের (NCPI দলের ২০ সাংসদ) মতো নই। নেত্রীর সুসময়ে আমি দূরে দুঃখের সময়ে কাছে। যেই দিদি দেখল ভিড় হয়েছে, সেই বিরক্তি দেখানো আগের থিওরির শুরু হলো।’

  • Link to this news (এই সময়)