• শীতলকুচি নিয়ে বড় প্রশ্ন তুললেন তৎকালীন পুলিশ সুপার
    আজকাল | ২২ জুলাই ২০২৬
  • দীক্ষা ভুঁইয়া: ২০২১ সালে শীতলকুচিতে গুলি চালানোর ঘটনায় ফের সিআইডি তদন্তের দাবি জানালেন সোনার উত্তরের বিজেপি বিধায়ক দেবাশিস ধর। পাঁচ বছর আগের ওই ঘটনার তদন্ত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নজরদারিও আনুরোধ করেন তিনি। সেইসময়ে দেবাশিসই ছিলেন কোচবিহারের পুলিশ সুপার। কার নির্দেশে গুলি চলেছিল, তা খুঁজতেই বুধবার বিধানসভায় দাবি উত্থাপন করলেন এই বিজেপি বিধায়ক। 

    এদিন বিধানসভায় দেবাশিস ধর বলেন, "শীতলকুচিতে গুলি চলার ঘটনা কেন ঘটেছিল? কে উস্কানি দিয়েছিল? তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। কিন্তু তদন্ত হয়নি। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখতে পারেন। এই ঘটনা আরও ঘটতে পারত যদি ব্যবস্থা না নেওয়া হত।" 

    কী হয়েছিল শীতলকুচিতে?২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় শীতলকুচির জোরপাটকি গ্রামের স্কুলের বুথে গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে নিহত হন চার যুবক।

    তৎকালীন কী পদক্ষেপ?তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণের পরই শীতলকুচি কাণ্ডের তদন্তের জন্য বিশেষ দল গঠনের নির্দেশ দেন মমতা ব্যানার্জি। সিট তদন্তে নেমে দুই অফিসার-সহ কেন্দ্রীয় বাহিনীর ৬ জনকে তলব করা হয়েছিল। 

    সিআইডি সূত্রে খবর ছিল, একুশের চতুর্থ দফা ভোটের দিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওই ৬ জন শীতলকুচির ১২৬ নম্বর বুথের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন ডেপুটি কম্যাড্যান্ট, চারজন কনস্টেবল ও একজন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার অফিসার ছিলেন। কী কারণে গুলি চালানো হয়েছিল, তা জানতেই তদন্তে নামে সিআইডি।

    মমতার অভিযোগ:শীতলকুচিতে গুলি চালানোর নির্দেশ পুলিশ সুপার দেবাশিস ধরই দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শেষ পর্যন্ত মমতা সরকার ক্লিনচিট দেয়নি দেবাশিসকে।

    পরে, দেবাশিস ধর বিজেপিতে যোগদান করেন। এবারের বিধানসভা ভোটে সোনারপুর উত্তর কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হযেছেন। 

     
  • Link to this news (আজকাল)