তারকেশ্বরে বাবা তারকনাথের দর্শনে যাচ্ছেন? নামমাত্র খরচে মিলবে থাকার ঘর, জানুন সিক্রেট ট্রিকস
News18 বাংলা | ২৩ জুলাই ২০২৬
: শ্রাবণ মাস জুড়ে তারকেশ্বরে দেশের লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর আগমন ঘটে। তবে শুধু শ্রাবণ নয়, সারা বছরই এখানে আসেন পুণ্যার্থীরা। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভারতের একাধিক রাজ্য থেকে কাতারে কাতারে পুণ্যার্থীরা ছুটে আসেন বাবা তারকনাথের দর্শন পেতে এবং তাঁর মাথায় পবিত্র জল ঢালতে। শ্রাবণ মাসের প্রায় প্রতিদিন পুণ্যার্থীদের ভিড় থাকলেও, বিশেষ করে রবিবার ও সোমবার এই ভক্তের সংখ্যা আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। দূর-দূরান্ত থেকে আসা এই বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্য তারকেশ্বর মন্দির প্রাঙ্গণ ও তার আশেপাশের এলাকায় থাকার জন্য নানা ধরণের ব্যবস্থা রয়েছে।
অনেক পুণ্যার্থীই ভাবেন তারকেশ্বরে এসে রাত কাটানো বা কিছুক্ষণ থাকার জন্য হয়ত প্রচুর টাকা খরচ করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে খুব কম খরচেই সেখানে থাকার মতো ভাল মানের হোটেল পাওয়া সম্ভব। মাত্র ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যেই সাধারণ মানের বেশ কিছু ভাল হোটেল পাওয়া যায়। তারকেশ্বরের অনেক হোটেলেই মূলত দিন ও রাতের জন্য আলাদা আলাদা ভাবে ঘর ভাড়া দেওয়ার সুবিধা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি সকালে ৯টা বা ১০টা নাগাদ হোটেলে উঠে সারাদিন কাটিয়ে বিকেল ৪টের দিকে বেরিয়ে যেতে চান, তবে তাঁর কাছ থেকে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা মতো ভাড়া নেওয়া হয়।
একইভাবে কেউ যদি শুধুমাত্র রাতের বেলায় থাকতে চান, তাহলেও একই রকম খরচ পড়ে। এর ফলে পুরো একদিন বা ২৪ ঘণ্টা থাকার প্রয়োজন না থাকলে পুণ্যার্থীদের বাড়তি টাকা গুনতে হয় না। আর কেউ যদি টানা ২৪ ঘণ্টা থাকতে চান, তবে তাঁর খরচ পড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকার কাছাকাছি। যদিও হোটেল বিশেষে খরচ আলাদা আলাদা।
মন্দির চত্বরের ঠিক আশেপাশেই এই ধরণের বাজেট হোটেল প্রচুর পরিমাণে ছড়িয়ে রয়েছে। তবে এমন কম দামে হোটেল পাওয়ার ক্ষেত্রে একটু দাম-দর করে নেওয়া বেশ জরুরি। দামে সস্তা হলেও হোটেলগুলির পরিবেশ বা সার্বিক অবস্থা কিন্তু মোটেই খারাপ নয়। দীর্ঘ পথ ভ্রমণের পর কয়েক ঘণ্টার জন্য একটু বিশ্রাম নেওয়া, স্নান করা এবং পোশাক বদলে ফ্রেশ হওয়ার জন্য এই ঘরগুলি যথেষ্ট উপযুক্ত ও আরামদায়ক। তবে কেউ যদি আরও বেশি সুযোগ-সুবিধা এবং লাক্সারি চান, তবে তাঁদের জন্য মন্দির এলাকায় উচ্চমানের বা স্ট্যান্ডার্ড হোটেলও খুব সহজেই মিলবে।