এই সময়: একই দিনে কলকাতার দুই প্রধান সিনিয়র টিমের প্র্যাক্টিস শুরু হয়ে গেল তাদের বিদেশি কোচের অধীনে। এ দিন ভোর রাতে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন বর্ষীয়ান স্প্যানিশ কোচ আন্তনিও আবাস। কলকাতা তাঁর কাছে চেনা শহর। এটিকে দিয়ে শুরু। তারপরে সবুজ মেরুন শিবির হয়ে ইন্টার কাশীর কোচিং করার দিনগুলো তিনি কাটিয়েছেন এই শহরেই। এ দিন অবশ্য তিনি পুরোনো দেশে নতুন বেশে অবতীর্ণ হলেন। ইস্টবেঙ্গলের কোচ হিসেবে এ দিনই নেমে পড়লেন প্র্যাক্টিসে। ইস্টবেঙ্গল টিমের প্র্যাক্টিস হলো রাজারহাটের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে।
আবাস যখন লাল হলুদ শিবিরে পরিচিত হচ্ছেন, তখন সল্টলেক স্টেডিয়ামের ট্রেনিং গ্রাউন্ডে মোহনবাগানের প্র্যাক্টিস শুরু করেছেন নবাগত গ্রিক কোচ পানোস।তিনি টিমের নাড়ি বুঝতে প্র্যাক্টিস শুরুর আগে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা সারেন অভিজ্ঞ ফুটবলার শুভাশিস বসুর সঙ্গে।
দুই কোচের সামনেই এখন বড় চ্যালেঞ্জ শনিবার ডুরান্ড কাপের ডার্বি। পানোস এই ম্যাচে একজন বিদেশিকে খেলানোর সুযোগ পেলেও আবাসকে খেলতে হবে ভারতীয় ব্রিগেডকে নিয়েই। যদিও রশিদের এসে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তিনি খেলার মতো কন্ডিশনে আছেন কিনা, তা বোঝার সময় পাবেন না আবাস।
এ দিকে, আইএসএলে খেলার জন্য এ বার ১৪ ক্লাবের থেকে চুক্তি মতো ফেডারেশন পাবে ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা করে। যার প্রথম কিস্তি হিসেবে ২০ জুলাই ৫৫ লক্ষ করে টাকা দেওয়ার কথা ছিল সব টিমের। যে টিমের টাকা দেওয়ার প্রায় সম্ভাবনাই ছিল না, সেই ডায়মন্ড হারবার এফসির ৫৫ লক্ষ টাকা কিন্তু ফেডারেশন দপ্তরে জমা পড়েছে সময় মতোই।
কলকাতার এই ক্লাব গত মরশুমে আইএলএল (আই লিগ) চ্যাম্পিয়ন হয়ে আইএসএল খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল। কিন্তু তারা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে সরকার বদল হওয়ায় এই ক্লাবের অস্তিত্ব সঙ্কটে। তাও তারা আইএসএল খেলতে চাইছে। আইএফএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় যে পুরস্কার অর্থ তারা ফেডারেশন থেকে পাবে, সেই টাকাই অ্যাডজাস্ট হয়েছে আইএসএলের প্রথম কিস্তি হিসেবে। তবে টাকা জমা দিতে পারেনি শুধু ইন্টার কাশী। তারা ফেডারেশনের কাছে ১৪ অগস্ট পর্যন্ত সময় চেয়ে জানিয়েছে, সেই সময়েই তারা পুরো এক কোটি ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে দেবে। টেকনিক্যাল কারণ নির্ধারিত সময়ে টাকা দিতে পারেনি জামশেদপুর এফসিও। ইস্টবেঙ্গলের ইনভেস্টর ইমামির থাকা নিয়ে সংশয় থাকলেও তারা আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পুরস্কার অর্থই কিস্তির সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করেছে।