আজকাল ওয়েবডেস্ক: নিট প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে দিল্লির রাস্তায় জোরদার আন্দোলন ছাত্রদের। যে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকায় ককরোচ জনতা পার্টি। এই বিক্ষোভকে ঘিরে রীতিমতো উত্তাল পরিস্থিতি দিল্লিতে। ছাত্রদের এই আন্দোলন ঘিরেই এবার মুখ খুললেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
দিলীপের কথায়, "বেশ কয়েকবছর একইরকমভাবে বিধ্বংসী বিচ্ছিন্নতাবাদ চলছে। এরা আন্দোলনজীবী। কিছু ইনোসেন্ট লোককে সামনে রেখে দেশে উৎপাত তৈরি করে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা চলছে। সহজ টার্গেট পার্লামেন্ট অধিবেশন। ওই সময় ওখানে প্রেস, মিডিয়া বেশি থাকে। দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা। পাকিস্তান বা বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা চলছে। নেপাল বা শ্রীলঙ্কা বানানোর চেষ্টা চলছে। আগেও সফল হয়নি। এবারও সফল হবে না। একই কুশীলব। তারাই ছাত্র আন্দোলন করায়। তারাই কৃষক আন্দোলন করায়। মহিলা আন্দোলন করায়। এরা পেশাদার বিদেশিদের হাতের পুতুল। ভুলে যাবেন না সরকার নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের। যথাসময়ে ঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বেশি কড়া সিদ্ধান্ত নিলে সেটাকে আবার হাতিয়ার করা হবে। পাশে মানুষ নেই, জনতা নেই, ভোটে হেরে যায় এরকম কিছু নেতা ওখানে আছে। বিদেশের দালাল ওরা। প্রথমে যারা আন্দোলন করতে এসেছিল এখন তারাও বুঝতে পারছে তাদের বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।'
তিনি আরও জানালেন, "কিছু আন্দোলনজীবী বিদেশের পয়সায় লাফালাফি করে দেশে অস্থিরতা তৈরি করে তারা ছাড়া আর কেউ নেই এই আন্দোলনে। ছাত্রদের আবেগকে কাজে লাগিয়ে ধান্দাবাজি করার চেষ্টা করছে। পাশ করা ছাত্ররা নিজের এবং দেশের ভবিষ্যত চিন্তা করুক। এদের পাল্লায় যেন কেউ না পরে।"
রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে দিলীপের আরও বক্তব্য, "রাহুল গান্ধী মোদিজির মায়ের সম্পর্কে কি বলেছিলেন? যেকজন নেতা ওখানে বাইট দিচ্ছেন, তাঁরা আগেও এইধরনের কথা বলেছেন। এদের লজ্জা নেই। পেট চলে অন্যের পয়সায়। অনেক বিদেশি শক্তি ভারতের ঐক্য বিকাশ উন্নয়ন চায় না। তারা এদেরকে ব্যবহার করছে।"
লোকসভায় সাসপেন্ড কল্যাণ ব্যানার্জি। এ প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, "এর আগে কল্যাণের বিরুদ্ধে দলেরই অন্য সাংসদরা কমপ্লেন করেছেন। মহুয়া মৈত্র করেছেন। আরও অনেকে করেছেন। তিনি একটা অভদ্র লোক। শহিদ দিবসে নেত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করেছেন। ড্রামা করেছেন। বিধানসভায় তাঁর একটি কার্বন কপি আছে। তাঁকে কাল চ্যাংদোলা করে বাইরে ফেলা হয়েছে। ঘাড়ধাক্কা দিলেও বাইরে যাচ্ছে না। তাই চ্যাংদোলা করা হয়েছে। মিডিয়া অ্যাটেনশন করিয়ে ওইভাবে টিকে থাকা যায় না। একজন ভাষণ দিচ্ছেন। তাঁকে গিয়ে ডিস্টার্ব করছেন। স্পিকার কেন এটা সহ্য করবেন!"