• কল্যাণ, মহুয়াদের সঙ্গে ওতক্ষণ ধরে কী আলোচনা? যা জানালেন BJP-র শমীক
    আজ তক | ২৩ জুলাই ২০২৬
  • কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একুশের মঞ্চে কথা কাটাকাটি, রেগেমেগে কল্যাণের মঞ্চ ত্যাগ, এই সবের ঊর্ধ্বে আলোচনার কেন্দ্রে এখন মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে। যা শুরু হয়েছে বুধবার বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দীর্ঘ কথোপকথন। সঙ্গে খানিক ক্ষণ দেখা গেল মহুয়া মৈত্রকেও। 

    বুধবারের পরে একাধিক সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত মিলছে

    তৃণমূল কংগ্রেসে লোকসভায় যে কয়েকজন সাংসদ এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মহুয়া মৈত্র। একের পর এক সাংসদ যখন NCPI নামক নতুন দলে গিয়েভিড়ছেন, তখনও মমতার পক্ষে ব্যাটিং করে চলেছেন এঁরা। কিন্তু বুধবারের পরে একাধিক সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত মিলছে। রাজনীতিতে কোনও ঘটনাই এমনি এমনি ঘটে না, কিছু না কিছু রাজনৈতিক অঙ্ক থাকেই। বুধবার কল্যাণ ও মহুয়ার গতিবিধি সেই নানা অঙ্ককেই যেন উস্কে দিচ্ছে।

    শমীকের সঙ্গে ১৭ মিনিট ধরে কী কথা হল?

    কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা গেল শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করলেন। তারপর ১৭ মিনিট ধরে কথা হল। এখন প্রশ্ন হল, কী কথা হল? সংবাদমাধ্যমকে এই প্রশ্নের উত্তরে শমীক বললেন, '২৭ মিনিট কথা হলে ভাল হত। ওদিকে রোদ ছিল তাই কথা বলা যাচ্ছিল না। নাহলে আর একটু কথা হত। রাজনীতি নিয়ে নয়। ব্যক্তিগত জীবনের তাপ-উত্তাপ নিয়ে কথা হয়েছে, সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে।' কল্যাণকে সাসপেন্ড করা নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বললেন, 'লোকসভার গরিমা নষ্ট হলে ব্যবস্থা তো নেওয়া হবে। তবে একটাই কথা বলব, পারিবারিক ঝামেলা এখানে নিয়ে আসবেন না।'

    মমতার বিরুদ্ধে কল্যাণের ক্ষোভ

    যাবতীয় ঘটনার সূত্রপাত একুশে জুলাইয়ে শহিদ দিবসের মঞ্চে। কল্যাণকে দেখা যায় ভাষণ শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি চলছে। এরপরেই সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্ষোভ উগরে কল্যাণ বলেন, 'দিদিকে ভালবাসি, দিদিকে শ্রদ্ধা করি, দিদির জন্য সবকিছু করতে রাজি। কিন্তু দিদি যদি মনে করে, যা ইচ্ছা বলবে, তাতেই সব হবে, তা হবে না। দিদি যদি মনে অভিষেক আর ডেরেক যা বলবে, তা-ই হবে, তা হবে না। দিদিকে বাস্তবটা বুঝতে হবে।'
  • Link to this news (আজ তক)