দীর্ঘ আইনি জটিলতা! বাড়ি থেকে দূরে নিয়োগের সুপারিশপত্র। সুপারিশপত্র হাতে পেয়েও চাকরিতে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনেকের। আবার অনুপস্থিত বহু প্রার্থী। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আপার প্রাইমারির কাউন্সেলিং শুরু হলেও হঠাৎ বিমুখ প্রার্থীরা।
গত মঙ্গল ও বুধবার ছিল যথাক্রমে ইংরেজি এবং বিজ্ঞান (বায়ো ও পিওর সায়েন্স) বিষয়ের কাউন্সেলিং। শিক্ষাদপ্তর সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ইংরেজির ৮৮ জনের মধ্যে ২৮ জন অনুপস্থিত ছিলেন। বুধবার বিজ্ঞানের ১৪৯ জন প্রার্থীর মধ্যে উপস্থিত হননি ৪৬ জন, যা মোট প্রার্থীর প্রায় ৩১ শতাংশ। উপরন্তু, সুপারিশপত্র হাতে নিয়েও অনেকে যোগ দেবেন না বলে সাফ জানিয়েছেন। কিন্তু কেন এই অনীহা?
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দীর্ঘ আইনি জটিলতায় বছরের পর বছর সময় গড়িয়ে যাওয়ায় অনেকেই ইতিমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকতা বা অন্য সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি, বহু প্রার্থীই পছন্দসই বা বাড়ির কাছের স্কুলে পোস্টিং না পেয়ে দূরের স্কুলে যোগ দিতে নারাজ। ফলে কাউন্সেলিং পর্ব চালু হলেও মেধা তালিকার একটি বড় অংশই শেষ পর্যন্ত হাতছাড়া থেকে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, আপার প্রাইমারির নিয়োগে আইনি জট কাটিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ১,১৭৭ জন প্রার্থীর কাউন্সেলিং চলছে। জানা গিয়েছে, ২৩ জুলাই সংস্কৃত, আরবি, হিন্দি ও উর্দু বিষয়ের কাউন্সেলিং হবে। ২৪ জুলাই ইতিহাসের কাউন্সেলিং হবে। বাংলার হবে ২৭ ও ২৮ জুলাই। ভূগোলের কাউন্সেলিং হবে ২৯ ও ৩০ জুলাই। এখনও ৬৪ জনের নিয়োগ বাকি রয়েছে। এখন দেখার বিষয় বাকি দিনগুলির কাউন্সেলিংয়ে প্রার্থীরা কী সিদ্ধান্ত নেন।