ব্যান্ডেল স্টেশন চত্বরে চলল বুলডোজ়ার। রেলের জায়গা দখল করে দোকান বসানোর অভিযোগ। সেই অবৈধ দখলই উচ্ছেদ করা হলো বুধবার রাতে। ব্যান্ডেল রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকার ক্যান্টিন বাজার, স্টেশন রোডের পাশে রেলের জায়গা খালি করতেই এই অভিযান চলে।
ব্যান্ডেল স্টেশন চত্বরে রেলের জায়গায় বহু অবৈধ দোকান রয়েছে। সেগুলিই ভাঙা হয় বুধবার রাতে। তার আগে নোটিসও দেওয়া হয়েছিল। ব্যান্ডেল রেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকার ক্যান্টিন বাজার, স্টেশন রোডের পাশে রেলের জায়গা খালি করতেই এই অভিযান চলে।
ব্যান্ডেল স্টেশনের বাইরে ফাস্ট ফুডের দোকান ছিল মহেশ সাউয়ের। বুধবার রাতের অভিযানে ভাঙা পড়েছে তাঁর দোকানও। মহেশ জানান, রেলের জায়গা, তারা তা ফেরত নেবেই। তবে আর একটু সময় দিলে সুবিধা হতো। ঋণ করে দোকান চালাতে হয়।
গত কয়েক দিনে রেল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় দখলদারি উচ্ছেদে নেমেছে। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দমদম স্টেশনের ভিতরে থাকা অবৈধ দোকানও। আগাম নোটিস দিয়ে যাদবপুর, দমদম, পার্ক সার্কাস স্টেশন চত্বরে রেলের জায়গায় অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছেন কর্তৃপক্ষ।
হুগলির ব্যান্ডেল স্টেশন একটি জংশন। পূর্ব ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগ হয় ব্যান্ডেল থেকে। সেই স্টেশনকে ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু করেছে ভারতীয় রেল। দূরপাল্লার বহু ট্রেন ছাড়বে। কমবে হাওড়া স্টেশনের চাপ। এর জন্য স্টেশন সম্প্রসারণ ও অন্যান্য কাজ হবে।
সেই কারণেই ব্যান্ডেল স্টেশন চত্বরে রেলের জমি দখল করে থাকা দোকান উচ্ছেদের নোটিস দেওয়া হয়। রেলের চূড়ান্ত নোটিসের পরে কিছু ব্যবসায়ী তাঁদের দোকান সরিয়েও ফেলেন। বুধবার রাত ১০টার পরে সেই দোকান ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বুলডোজ়ার দিয়ে। তবে ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, পুজো পর্যন্ত সময় পেলে তাঁদের সুরাহা হতো।
ব্যান্ডেলে উচ্ছেদ অভিযান কবে ও কোথায় হয়েছে?
বুধবার রাতে ব্যান্ডেল রেল স্টেশন সংলগ্ন ক্যান্টিন বাজার ও স্টেশন রোড এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান চলে।
এই উচ্ছেদের কারণ কী?
ব্যান্ডেল জংশনকে ঢেলে সাজিয়ে স্টেশন সম্প্রসারণের কাজের জন্য রেলের জমি দখলমুক্ত করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।
এর আগেও কি রেল এমন উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে?
হ্যাঁ, দমদম, যাদবপুর ও পার্ক সার্কাস স্টেশন চত্বরেও রেলের জায়গায় অবৈধ দোকান আগেই উচ্ছেদ করা হয়েছে।