আজকাল ওয়েবডেস্ক: বুধবারের ঘটনার জের, বৃহস্পতিতেও মিনিট খানেক উত্তেজনা ছড়াল বিধানসভার কক্ষে। পরে স্পিকারের নির্দেশে, শান্ত হয় পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে চান কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক। তাঁকে স্পিকার প্রশ্ন করেন কোন বিষয়ে কথা বলতে চান তিনি। উত্তরে শোভনদেব জানান, গতকালের ঘটনা নিয়েই কথা বলতে চান তিনি।
স্পিকার সোজা জানিয়ে দেন, তা সম্ভব নয়। বলেন, 'বিধানসভার ইতিহাসে এই ধরনের ঘটনা খুব কম ঘটেছে, এই কলঙ্কজনক অধ্যায়ের আর পুনরাবৃত্তি হবে না।' এই 'কলঙ্কজনক' শব্দ ব্যবহার নিয়ে আপত্তি তোলেন কুণাল-শোভনদেবরা। বারবার তিনি বলতে চান, 'কলঙ্কজনক' শব্দ ব্যবহার না করতে।
তিনি বলেন, “কলঙ্কের কথাটা ঠিক বললেন না, কেন বললেন?” এরপরই দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং হাউসে হইচই শুরু হয়। স্পিকার অবশ্য তাঁর অবস্থানে অনড় থাকেন। তিনি স্পষ্ট করে দেন, আগের দিনের ঘটনা নিয়ে এদিন আর কোনও আলোচনা হবে না। শেষ পর্যন্ত অধিবেশন অন্য কার্যসূচির দিকে এগিয়ে যায়।স্পিকারের আসনের সামনে বিজেপির একাধিক বিধায়কও উঠে আসেন। রিতেশ তিওয়ারির সঙ্গে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কথাকাটাকাটি হয়। অন্যদিকে উঠে আসেন ফিরহাদ হাকিমও। ফিরহাদকে কুণালের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলতেও শোনা যায়।
বুধবার, বিধানসভায় একে একে বক্তব্য রাখছিলেন বিধায়কেরা। তাল কাটে আখরুজ্জামান বক্তব্যে রাখতে উঠলে। তাঁর বক্তব্যের মাঝেই, এগিয়ে যান কল্যাণ। সেখানেই হইচইয়ের সূত্রপাত। বাদ-বিবাদের মাত্রা বাড়লে, এক সময় কুণালকে বিধানসভার কক্ষের মধ্যেই মার্শালদের টেনে-হিঁচড়ে বের করতে দেখা যায়। বিধানসভার স্পিকের নির্দেশ দিলে মার্শালরা তাঁকে বের করে দেন। প্রাথমিকভাবে তিনি সাসপেন্ড করার হুঁশিয়ারি দেন এবং পরে সাসপেন্ড করে দেন।