‘ককরোচ’দের দাপটে বন্ধ দিল্লির ১৬ মেট্রো স্টেশন, ‘আমি পদক্ষেপ করব’, বার্তা প্রধান বিচারপতির
প্রতিদিন | ২৩ জুলাই ২০২৬
ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের জেরে দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ। এবার সেই ইস্যুতে মুখ খুললেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। গত কয়েকদিন ধরে একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকার জেরে নিত্যযাত্রীদের অসুবিধা হচ্ছে, এমনটাই জানান সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বিকাশ সিং। গোটা ঘটনায় প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপও দাবি করেন তিনি। সেই ইস্যুতেই মুখ খুলেছেন প্রধান বিচারপতি।
‘ককরোচ’দের জন্মের নেপথ্যে রয়েছে প্রধান বিচারপতিরই এক বিতর্কিত মন্তব্য। দেশের বেকার যুবসমাজকে ‘ককরোচ’ বলেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই শুরু ককরোচ জনতা পার্টি। আপাতত তারা দিল্লিতে প্রতিদিন বিক্ষোভ (CJP Protest) দেখাচ্ছে। সংসদ ভবন অভিযানে নেমেছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যরা। সেসময়েই প্রতিবাদীদের মারধরের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। সোমবার এই ঘটনার পর থেকেই টানা চারদিন ধরে বন্ধ দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন। তার মধ্যে অন্যতম সুপ্রিম কোর্ট স্টেশন।
মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকায় সুপ্রিম কোর্টের বহু আইনজীবী এবং অন্যান্য কর্মচারীদের অসুবিধা হচ্ছে বলে জানান বিকাশ। তাঁর আর্জি, অন্তত সুপ্রিম কোর্টের পরিচয়পত্রটুকু দেখে মেট্রোয় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হোক তাঁদের। সেই আবেদন শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, মেট্রো আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলুক সুপ্রিম কোর্টের আধিকারিকরা। যদি দুপুরের মধ্যে কোনও সমাধান সূত্র না মেলে তাহলে নিজে বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ করবেন বলে জানান প্রধান বিচারপতি। সঙ্গে আরও জানিয়েছেন, যেসব আইনজীবীরা মেট্রো সমস্যার জেরে আদালতে পৌঁছতে পারেননি তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না।
উল্লেখ্য, সিজেপির বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জি জমা পড়েছিল। কিন্তু তা খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিল, অযথা যেন তাদের সময় নষ্ট না করা হয়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “আমরা কোনও ভিডিও দেখতে আগ্রহী নয়। সেগুলি দেখার মতো সময় আমাদের নেই। দয়া করে আমাদের এবং নিজেরও সময়ও নষ্ট করবেন না।” প্রসঙ্গত, দিল্লি পুলিশের তরফে অনুমতি না দেওয়া হলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার সকালে সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি।