এই সময়: জাতিগত শংসাপত্র পেতে জমির দলিল আর বাধ্যতামূলক নয়। বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিল রাজ্য অনগ্রসর কল্যাণ দপ্তর। তবে বিকল্প হিসেবে ভোটার, আধার কিংবা রেশন কার্ড এবং বাবা-মায়ের জাতিগত শংসাপত্র দাখিল করতে হবে। যদি কেউ নিজেকে তফসিলি জাতি বা জনজাতি হিসেবে প্রমাণের বংশ তালিকা দাখিল করতে পারেন তাও প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন জেলা ও মহকুমা আধিকারিকরা জাতিগত শংসাপত্র যাচাই করার জন্য আবেদনকারীর কাছে ১৯৫০–এর আগের জমির দলিল প্রমাণপত্র হিসেবে চাওয়া হচ্ছিল। এত পুরোনো নথি অনেকের সংগ্রহে নেই। তাই এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনগ্রসর কল্যাণ দপ্তর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ বার জানিয়ে দিয়েছে, যাচাই করানোর জন্য কোনও জমির দলিল বাধ্যতামূলক নয়।
২০১৪ এবং ২০১৫–এর সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা ছিল। তাই রাজ্য জুড়ে জাতি শংসাপত্র ইস্যু ও পুনঃযাচাই প্রক্রিয়ায় একই নীতি কার্যকর করতে এই নতুন নির্দেশ জারি হয়েছে বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
FAQ
জাতিগত শংসাপত্র পাওয়ার জন্য কি জমির দলিল থাকা বাধ্যতামূলক?
না, জাতিগত শংসাপত্র পাওয়ার জন্য জমির দলিল আর বাধ্যতামূলক নয়। রাজ্য অনগ্রসর কল্যাণ দপ্তর সম্প্রতি একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে।
জমির দলিলের বদলে প্রমাণপত্র হিসেবে কোন কোন বিকল্প নথি জমা দেওয়া যাবে?
বিকল্প নথি হিসেবে আবেদনকারী নিম্নলিখিত প্রমাণপত্রগুলো জমা দিতে পারেন:
নিজেকে তফসিলি জাতি বা জনজাতি হিসেবে প্রমাণ করতে আর কী কী নথি গ্রহণযোগ্য?
যদি কোনো আবেদনকারী নিজেকে তফসিলি জাতি বা জনজাতি হিসেবে প্রমাণ করার জন্য যথাযথ 'বংশ তালিকা' বা বংশলতিকা দাখিল করতে পারেন, তবে সেটিও প্রামাণ্য নথি হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে।
জমির দলিল জমা দেওয়া নিয়ে কেন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল?
বিভিন্ন জেলা ও মহকুমার আধিকারিকরা জাতিগত শংসাপত্র যাচাই করার সময় আবেদনকারীর কাছে ১৯৫০ সালের আগের জমির দলিল চাইছিলেন। এত পুরোনো নথি অনেকের কাছেই না থাকার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করার কারণ কী?
২০১৪ এবং ২০১৫ সালের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতেও জানানো হয়েছিল যে জাতিগত শংসাপত্রের জন্য জমির দলিল বাধ্যতামূলক নয়। সেই পুরোনো নিয়মটিকেই রাজ্য জুড়ে শংসাপত্র ইস্যু ও পুনঃযাচাই প্রক্রিয়ায় সঠিকভাবে ও সমানভাবে কার্যকর করার জন্যই নতুন করে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।