• বিমানসংস্থা খুলতে চেয়ে আইন শিথিলের আর্জি! বিতর্কের মধ্যে মুখ খুলল আদানি গোষ্ঠী
    প্রতিদিন | ২৪ জুলাই ২০২৬
  • দেশের বেশিরভাগ বিমানবন্দর তাঁদের অধীনে। তাঁদের বিনিয়োগ ছড়িয়ে প্রায় সবক্ষেত্রে। এবার নাকি বিমানসংস্থাও খুলতে চায় আদানিরা। এমনকী, সেই বিমানসংস্থা খোলার জন্য মোদি সরকারের কাছে বর্তমান নিয়ম শিথিল করার আর্জিও জানিয়েছে তাঁরা। এমনটাই খবর ছড়িয়েছিল সংবাদমাধ্যমে। এবার আদানি গোষ্ঠী সেই খবরকে নস্যাৎ করে দিল।

    বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হল, আদানি গোষ্ঠী এখনই বিমানসংস্থার ব্যবসায় বিনিয়োগ করছে না। বা বিমান পরিবহণ ব্যবসায় ঢোকার জন্য সরকারের নীতির পরিবর্তন চাইছে না। সংস্থার তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে যে বলা হচ্ছে আদানিরা বিমান পরিবহণ ব্যবসায় যোগ দিচ্ছে। আমরা স্পষ্ট করে দিতে চাই, এই ধরনের কোনও প্রস্তাব আমাদের কাছে নেই। আমরা এই ধরনের কোনও পদক্ষেপও করছি না।”

    দেশের একাধিক বিমানবন্দরের দায়িত্ব রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর হাতে। বর্তমানে দেশের দুটি ব্যস্ত বিমানবন্দর, দিল্লি ও মুম্বই বিমানবন্দরের পরিচালনাকারী সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে একটি নিয়ম রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, এই বিমানবন্দরগুলির নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনও নির্দিষ্ট বিমান সংস্থায় দশ শতাংশের বেশি অংশীদারিত্ব রাখতে পারে না। ২০০৬ সালে এই দুই বিমানবন্দর বেসরকারিকরণের সময় ওই শর্ত চুক্তিতে যুক্ত করা হয়েছিল। গতকাল সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, বিমান ব্যবসায় ঢোকার জন্য সেই শর্ত শিথিল করার দাবি জানিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। কিন্তু আদানি গোষ্ঠী পুরোটাই অস্বীকার করল।

    বর্তমানে মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৭৪ শতাংশ শেয়ারের মালিক এই সংস্থা। অন্যদিকে দিল্লি বিমানবন্দরের ৭৪ শতাংশ মালিকানা রয়েছে জিএমআর এয়ারপোর্টসের হাতে। গত বছরের ডিসেম্বরে গৌতম আদানির ছেলে জিত আদানি প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন, বিমান সংস্থা চালানোর কোনও পরিকল্পনা নেই। বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ উড়ান পরিষেবা ক্ষেত্রের প্রায় ৯০ শতাংশই ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়ার দখলে। আদানিরা এই ব্যবসায় এলে সাধারণ যাত্রীদের সুবিধা হত বলেই মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু তেমন কিছুই হচ্ছে না।
  • Link to this news (প্রতিদিন)