• ছাত্র আন্দোলনে হিংসায় পাক যোগ, উসকানি পাকিস্তান থেকে! ভয়ংকর ষড়যন্ত্র ফাঁস করল দিল্লি পুলিশ
    প্রতিদিন | ২৪ জুলাই ২০২৬
  • আশঙ্কা ছিলই। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা ছিল, দেশের পড়ুয়াদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে হিংসা ও অরাজকতা ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বিদেশ থেকে। সেই আশঙ্কা যে অমূলক নয়, সেটার হাতেগরম প্রমাণ দিল দিল্লি পুলিশ। পাকিস্তান থেকে ভারতের এই ছাত্র বিক্ষোভের আড়ালে উসকানি দেওয়ার ভয়াবহ ষড়যন্ত্র প্রকাশ্যে চলে এল।

    দিল্লি পুলিশ জানিয়ে দিল, দিল্লির যন্তরমন্তরে ছাত্র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যে হিংসার ঘটনা ঘটছে, সেগুলির নেপথ্যে রয়েছে পাক উসকানি। প্রায় ৪০০ পাকিস্তানি সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেল দিনরাত সচেষ্ট শুধু পড়ুয়া তথা জেন জি-কে উসকানি দিতে। এই ৪০০টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে শ’খানেক ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল। এই জেন জি তথা যুবসমাজের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্তরা ইনস্টাগ্রামে ভীষণভাবে সক্রিয়। তাই ইনস্টাগ্রামের ফিডের অ্যালগরিদমে বিভিন্ন উসকানিমূলক পোস্ট ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় দিনরাত সচেষ্ট পাক হ্যান্ডেলগুলি।

    এখানেই শেষ নয়, যন্তরমন্তরে হিংসার ঘটনা এবং অপারেশন সিঁদুরের মধ্যেও যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে দিল্লি পুলিশ। পুলিশ সূত্র জানাচ্ছে, যে পাক অ্যাকাউন্টগুলি দিল্লিতে হিংসায় উসকানি দিচ্ছিল সেগুলিই সক্রিয় ছিল অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন। এই হ্যান্ডেলগুলি থেকেই লাগাতার ভারত বিরোধী পোস্ট করা হয়। ভুয়ো খবর, ভারত বিরোধী প্রচারে সিদ্ধহস্ত এই ৪০০ অ্যাকাউন্টই হিংসায় উসকানির নেপথ্যে।

    এমনিতেই দিল্লিতে আন্দোলনের নামে ভাঙচুর, পুলিশের উপর হামলার যে ঘটনাগুলি ঘটেছে, তাতে কড়া অবস্থান নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। জানা গিয়েছে, ছাত্রদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করা হলেও যারা হিংসায় উসকানি দিয়েছে, বা যারা সরাসরি হিংসার সঙ্গে যুক্ত তাঁদের কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। প্রশ্ন উঠছে, যে দাবি থেকে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, সেই ফোকাস কি সরে যাচ্ছে না? পাশাপাশি বাংলাদেশের কায়দায় ছাত্র আন্দোলন ‘হাইজ্যাক’-এর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
  • Link to this news (প্রতিদিন)