২৬ দিনের অনশন শেষ করার পরে পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুকের দ্রুত আরোগ্য কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার এক্স হ্যান্ডলে এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী ওয়াংচুককে পরামর্শ দেন, তিনি যেন চিকিৎসকদের সব কথা মেনে চলেন। যত দ্রুত সম্ভব আগের শারীরিক সুস্থতা ও ওজন ফিরে পাওয়ার জন্য তার প্রয়োজন রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় লেখেন, ‘সোনমজির দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলুন এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আগের ওজন ফিরে পান। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন সুস্থ ও ভালো থাকেন।’
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গুরুগ্রামের মেদান্তা হাসপাতালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে.পি. নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের উপস্থিতিতে ২৬ দিনের অনশন ভাঙেন সোনম ওয়াংচুক। কেন্দ্রের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পরে আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া এবং পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি নিয়ে আলোচনা করার আশ্বাস পাওয়ার পরেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।
অনশন ভাঙার আগে ও পরে ওয়াংচুক বারবার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পক্ষে সওয়াল করেন। তিনি বলেন, ‘দেশে কোথাও কোথাও অশান্তির খবর পাওয়া গেলেও প্রতিবাদ যেন অহিংস পথেই চলতে থাকে।’ তাঁর কথায়, ‘শান্তিই আমার একমাত্র পথ।’
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী মোদী শুধু ওয়াংচুকের স্বাস্থ্যের খোঁজই নেননি, পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপেরও আশ্বাস দিয়েছেন। কেন্দ্র জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁস রুখতে কঠোর আইন, ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আরও কড়া শাস্তির বিধান আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই সংক্রান্ত বিল খুব শীঘ্রই সংসদে আনা হতে পারে।
তবে ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার করলেও যন্তর মন্তরে আন্দোলন থামছে না। ‘Cockroach Janta Party (CJP)’-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে। শুক্রবার কনস্টিটিউশন ক্লাবে কেন্দ্র ও CJP-র প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলতে এবং যত দ্রুত সম্ভব আগের ওজন ফিরে পাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি টানা ২৬ দিন অনশন করেছিলেন।
কেন্দ্রের তরফে আন্দোলনকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জবাবদিহি নিয়ে সংসদে আলোচনা এবং শিক্ষা সংস্কার সংক্রান্ত আশ্বাস পাওয়ার পর তিনি অনশন ভাঙেন।
কেন্দ্র কঠোর আইন, ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আরও কড়া শাস্তির বিধান আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। এ সংক্রান্ত বিল সংসদে আনা হতে পারে।
না। CJP জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে।