• দুর্নীতি করলে 'জিরো টলারেন্স', কড়া বার্তা শুভেন্দুর
    আজকাল | ২৪ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: তোলাবাজি, দুর্নীতিতে প্রশাসন যুক্ত হলে তা বরদাস্ত করা হবে না। সরকারি ব্যবস্থায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর 'জিরো টলারেন্স নীতি' মানা হবে। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিম বর্ধমানের রামপুর চেকপোস্টের একটি ঘটনা উদাহরণ হিসাবে তুলে ধরে মুক্যমন্ত্রীর সফা কথা, 'আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।'

    কী ঘটেছিল?

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই বিবরণ নিজেই তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পোস্টে তিনি লেখেন, 'পণ্যবাহী ট্রাক নং JH09BA3535 (মালিক: দীপক সিং, চালক: শিব যাদব) সার্ভিসিংয়ের পর গ্যারেজে ফেরার পথে পশ্চিম বর্ধমানের রামপুর চেকপোস্টে আধিকারিকদের দ্বারা অন্যায়ভাবে আটক করা হয়। চালককে বেআইনিভাবে হেনস্থা করা হয় এবং ঘুষের জন্য চাপ দেওয়া হয়। ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং রাজ্য সরকারের আগেই বাতিল করা হয়ে গেছে এমন একটি কর বাবদ ২২,০০০ টাকার বেআইনি দাবি জানানো হয়।'

    কী পদক্ষেপ?

    শুভেন্দু অধিকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় করা ওই পেস্টে লিখেছেন, 'তোলাবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিবহন দপ্তর দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রামপুর চেকপোস্টে নিযুক্ত মোটর ভেহিকেল ইন্সপেক্টর (MVI) — শ্রী নাজিমুল হক এবং শ্রী অনুপম বন্দ্যোপাধ্যায়কে 'পশ্চিমবঙ্গ পরিষেবা (শ্রেণিবিন্যাস, নিয়ন্ত্রণ ও আপিল) বিধি, ১৯৭১'-এর ৭(১)(ক) ধারার অধীনে অবিলম্বে সাসপেন্ড বা বরখাস্ত করা হয়েছে। বিস্তারিত ফৌজদারি তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপের জন্য অভিযোগগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে 'অ্যান্টি-করাপশন ব্যুরো' (ACB)-র কাছে পাঠানো হয়েছে। অন্যায়ভাবে আটক গাড়িগুলি যাতে মুক্তি পায় এবং পরিবহনকারীদের হেনস্থার বিষয়টি যাতে কঠোর হাতে দমন করা হয়, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা কার্যকর করা হচ্ছে।'

    মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কবাণী:

    ওই পোস্টের একেবারে শেষে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, 'প্রশাসনের সর্বস্তরের জন্য এটি একটি স্পষ্ট বার্তা। দুর্নীতি, হেনস্থা বা বেআইনি সুবিধা গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত কোনো আধিকারিককে পাওয়া গেলে তাঁকে কঠোরতম বিভাগীয় ও আইনি পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। আমরা একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।'




     
  • Link to this news (আজকাল)