• ‘একশোয় ১০০ দিয়েছে’, উলটোরথে ভবানীপুরের উৎকল সমাজে গিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ শুভেন্দুর
    প্রতিদিন | ২৫ জুলাই ২০২৬
  • ‘ঘরের মেয়ে’, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুর থেকে হারিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছেন শুভেন্দু অধিকারী। জায়েন্ট কিলার! ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন শুভেন্দু। ভবানীপুরের মতো হাইভোল্টেজ আসনে তাঁর জয়ের নেপথ্যে বারবারই ভোটারদের বিশেষত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এবার উলটোরথের দিন সেখানকার উৎকল সমাজে যোগ দিয়ে তাঁদের প্রতি আলাদা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘‘এই উৎকল সমাজ আমাকে একশোয় একশো দিয়েছেন। আমি তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ।”

    শুক্রবার, উলটো রথের দিন সকাল থেকেই শুভেন্দু অধিকারী বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছেন। সকালে ভবানীপুরে প্রভু জগন্নাথদেবের পুজো দিয়েছেন। নিজের হাতে জগন্নাথদেব, বলরাম ও সুভদ্রার আরতিও করেন তিনি। জগন্নাথ মন্দিরের সেবাইতরা তাঁকে লাল-সাদা রঙের পাগড়ি পরিয়ে দেন। এরপর সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী চলে যান ভবানীপুরের উৎকল সমাজে। সেখানেও উলটোরথের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ভাষণে তিনি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন উৎকল সমাজের সদস্যদের। তাঁর কথায়, ‘‘আমি যে ভবানীপুরে জিতেছি, তার জন্য এই উৎকল সমাজের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। ওঁরা আমাকে একশোয় একশো দিয়েছেন। এখানকার মানুষজনের সঙ্গে আমার বরাবর সম্পর্ক খুব ভালো। বিভিন্ন উৎসবে আমরা শুভেচ্ছা আদানপ্রদান করি। আজকের দিনে এখানে এসে খুব ভালো লাগছে। আপনারা সকলের আমার শুভেচ্ছা নেবেন।”

    এদিনের অনুষ্ঠানে জগন্নাথধাম বিতর্ক নিয়ে ফের পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, পুরীধাম একটিই। যেখানে সেখানে জগন্নাথ মন্দির করে ‘জগন্নাথধাম’ নামকরণ করলেই হয় না। এ বিষয়ে উৎকল সমাজের বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিতে পারেন। কিন্তু সেই পরামর্শ না নিয়েই দিঘায় ‘জগন্নাথধাম’ গড়েছিল আগেকার সরকার, যা ঠিক হয়নি। তাই নতুন সরকার এসে দিঘার সেই জগন্নাথ মন্দিরের নাম বদলে ‘জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’ করেছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। উল্লেখ্য, গত বছর পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে দিঘাতেও তা তৈরি করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম দেন জগন্নাথধাম। তা নিয়ে শাস্ত্রজ্ঞদের মতবিরোধ ছিল। পরবর্তী সময়ে সেই শাস্ত্র মেনে বিজেপি সরকার নামটি বদলে দেয়।
  • Link to this news (প্রতিদিন)