• 'বড় স্বীকৃতি'র অপেক্ষার মাঝেই নদীবাঁধে বিরাট ফাটল! গঙ্গাসাগরে কী চলছে? বাড়ল নজরদারি
    News18 বাংলা | ২৫ জুলাই ২০২৬
  • এবার গঙ্গাসাগর মেলা জাতীয় মেলার স্বীকৃতি পাবে সেই আশায় বুক বাঁধছে গঙ্গাসাগর। তার মধ্যেই চলছে নতুন ভাঙন রোখার চেষ্টা। দ্রুত ভাঙন রোধ করতেই হবে। না হলে সামনে সমূহ বিপদ সেখানে। পরিস্থিতি সামলাতে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসতেই গঙ্গাসাগর মেলাকে ‘জাতীয় মেলা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের সংস্কৃতি মন্ত্রকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    একই সঙ্গে গঙ্গাসাগরকে বিশ্বমানের ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে কেন্দ্রের পর্যটন মন্ত্রকের কাছে আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার আবেদন জানানো হয়েছে। গঙ্গাসাগর মেলা দেশের অন্যতম প্রাচীন, বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় সমাবেশ। প্রতি বছর মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী, সাধু-সন্ত এবং দেশ-বিদেশের পর্যটক এখানে সমবেত হন। সেজন্য মেলাটিকে ‘জাতীয় মেলা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিলে এর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিচিতি আরও বাড়বে এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, নথিভুক্তকরণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরার কাজ সহজ হবে।

    অপরদিকে সাগরে নদী-বাঁধের একাধিক অংশে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। আশ্রম চত্বরে এক নম্বর ঘাট থেকে ছয় নম্বর ঘাট পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং মৎস্যজীবীরা। বর্ষা এখনও বড় আকারে প্রভাব না-ফেললেও, এখনই নদীর এমন রুদ্ররূপে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তৎপরতা দেখা গিয়েছে প্রশাসনে৷ নদী-বাঁধে ভাঙনে আতঙ্ক গ্রাস করায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন সাগর ব্লকের বিডিও কানাইয়া কুমার রাও, গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার ওসি এবং প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা।

    তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ভাঙনের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করে রাজ্য সরকার ও সেচ দফতরের কাছে পাঠানো হবে। জাতীয় মেলা ঘোষিত হলে বেশি পরিমাণে অর্থ আসবে এবং এই ভাঙন রোধ করা যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এখন দেখার কি হয় ভবিষ্যতে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)