• মহারাষ্ট্রের TET প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে বড় সাফল্য, গ্রেপ্তার মূল অভিযুক্ত বীরেন্দ্র কুমার গুপ্ত
    এই সময় | ২৫ জুলাই ২০২৬
  • মহারাষ্ট্রের TET প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে বড় সাফল্য পেল পুলিশ। মামলায় মূল অভিযুক্ত বীরেন্দ্র কুমার গুপ্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার সকালে বিহার থেকে তাঁকে পাকড়াও করা হয়। উল্লেখ্য, এর আগে বিহার থেকে তাঁর স্ত্রী সুমন গুপ্তকেও গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

    ধৃতকে আকাশপথে পুনেতে নিয়ে আসা হচ্ছে। সেখান থেকে তাঁকে ভিওয়ান্ডিতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তকারীদের দাবি, প্রশ্নফাঁস চক্রের নেপথ্যে কারা রয়েছে, কী ভাবে প্রশ্নপত্র বাইরে চলে গিয়েছিল এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত— সে সব তথ্য জানতেই বীরেন্দ্র কুমার গুপ্তকে জেরা করা হবে। তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলেও মনে করছে পুলিশ।

    গত মাসের ২৬ জুন ছিল টেট পরীক্ষা। তার ঠিক আগের দিন প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা মহারাষ্ট্র। স্থগিত হয়ে যায় পরীক্ষা। কবে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে তা মহারাষ্ট্র স্টেট কাউন্সিল অফ এগজ়ামিনেশনের ওয়েবসাইট থেকে জেনে নিতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। তদন্তকারীদের দাবি, প্রশ্নফাঁস চক্রের অন্যতম মাথা ছিলেন বীরেন্দ্র। তাঁর স্ত্রী সুমন গুপ্তও প্রশ্নফাঁস র‌্যাকেটের অন্যতম চক্রী বলে অভিযোগ। তাঁকেও বিহার থেকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    এর আগে বিহার ও পাঞ্জাব থেকে কপিল দাহিয়া, মিথুন সিং এবং সোনু সিং নামে আরও তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ, ছাপানো এবং বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার কাজে তাঁদের ভূমিকা ছিল। ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র সোনু সিংয়ের পরিচিত একটি ছাপাখানা থেকে ছাপানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সোনু এবং বীরেন্দ্রর মধ্যেও দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠতা ছিল বলে দাবি।

    তদন্তে উঠে এসেছে, প্রশ্নপত্র ছাপানোর দায়িত্বে থাকা আগ্রার যে সংস্থার সঙ্গে মহারাষ্ট্র স্টেট কাউন্সিল অফ এক্সামিনেশন (MSCE)-এর চুক্তি ছিল, সেখানকার কর্মীরাও কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত। ইতিমধ্যেই সংস্থার তিন কর্মী—নরেশ পুরানচন্দ মাহোরে, সঞ্জয়কুমার সুরেশচন্দ্র শর্মা এবং বাবুলাল নারায়ণসিংহ কুশাওহাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের ধারণা, প্রশ্নফাঁসের সূত্রপাত হয়েছে ওই ছাপাখানা থেকেই। সেই সূত্র ধরেই চক্রের অন্য সদস্যদের খুঁজতে তল্লাশি ও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

    তবে এই প্রশ্নফাঁস চক্রের জাল শুধু মহারাষ্ট্র নয়, একাধিক রাজ্যে ছড়িয়ে রয়েছে। তাই বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি টাকার লেনদেন এবং প্রশ্নপত্র কীভাবে হাতবদল হয়েছে, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    মামলার মূল অভিযুক্ত বীরেন্দ্র কুমার গুপ্তকে বিহার থেকে গ্রেপ্তার করেছে মহারাষ্ট্র পুলিশ।

    তাঁকে পুনেতে আনার পর ভিওয়ান্ডিতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    হ্যাঁ। বীরেন্দ্রর স্ত্রী সুমন গুপ্তকে এর আগেই বিহার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অভিযোগ, তিনিও প্রশ্নফাঁস চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    কপিল দাহিয়া, মিথুন সিং, সোনু সিং এবং আগ্রার একটি ছাপাখানার তিন কর্মী—নরেশ পুরানচন্দ মাহোরে, সঞ্জয়কুমার সুরেশচন্দ্র শর্মা ও বাবুলাল নারায়ণসিংহ কুশাওহাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    তদন্তকারীদের দাবি, মহারাষ্ট্র স্টেট কাউন্সিল অফ এক্সামিনেশন (MSCE)-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ আগ্রার একটি ছাপাখানা থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের সূত্রপাত।

    পরীক্ষার আগের দিন প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসায় ২৬ জুন নির্ধারিত TET পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

    পুলিশ প্রশ্নপত্র কীভাবে হাতবদল হয়েছে, কারা এই চক্রে জড়িত, টাকার লেনদেন কীভাবে হয়েছে এবং একাধিক রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কের সন্ধান করছে।

    মহারাষ্ট্র স্টেট কাউন্সিল অফ এক্সামিনেশন (MSCE) নতুন পরীক্ষার সূচি ঘোষণা করবে। পরীক্ষার্থীরা কাউন্সিলের সরকারি ওয়েবসাইটে নজর রেখে আপডেট জানতে পারবেন।

  • Link to this news (এই সময়)