আজকাল ওয়েবডেস্ক: নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে শুক্রবার কলকাতায় মিছিল করে ককরোচ জনতা পার্টি। কিন্তু এই মিছিল ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলকাতা। ডোরিনা ক্রসিংয়ের কাছে ধুন্ধুমার কাণ্ড।
ফলে কলকাতার রাজপথও আর এই উত্তাপ থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে পারল না। আন্দোলনকারীদের রোখার চেষ্টা করে পুলিশ। সিজেপি এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের মিছিল ঘিরে একেবারে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা পরিস্থিতি।
ধর্মতলার মোড় কার্যত রণক্ষেত্রে পরিনত হয়। প্রতিবাদকারীরা পুলিশকে টার্গেট করে বোতল এবং জুতো ছুঁড়তে থাকে। আন্দোলনকারীদের রুখতে কাঁদানে গ্যাস চালায় পুলিশ। এই ঘটনায় এবার মুখ খুলল এবিভিপি।
অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ সরাসরি অভিযোগ করল বাম ছাত্রসংগঠন গুলির বিরুদ্ধে। এবিভিপির রাজ্য সম্পাদক নীলকণ্ঠ ভট্টাচার্যের অভিযোগ, ‘যারা বামপন্থী, যারা নিজেদের অ্যান্টি-এস্টাবলিশমেন্ট বলে দাবি করে এবং যাদের মতাদর্শ আজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, তারাই আজ ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ হয়ে একত্রিত হয়েছে। যেখানে আমাদের সাংবাদিক ভাই-বোনেরা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, সেখানেও গিয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের বিরুদ্ধে যেন মামলা না হয়, সেই চেষ্টা করছে। যারা যাদবপুরে আরএসএফ-এর একপ্রকার সমর্থক, তারাও এই কাজে যুক্ত।’
তিনি বলেন, ‘যারা আজ এই আন্দোলনে এসেছিল, তারা কেউ ছাত্র নয়, কেউ নিট পরীক্ষার্থী নয়। এমনকী, তারা নিটের পুরো নাম পর্যন্ত জানে না। তাহলে তারা কেন এসেছিল? শুধুমাত্র বিদেশি অর্থের জোগান দিয়ে তাদের উসকে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে কলকাতায়।’
অন্যদিকে, এবিভিপির কেন্দ্রীয় কার্যসমিতির সদস্য শুভব্রত অধিকারীর অভিযোগ, ‘গণতান্ত্রিক দেশে কোনও সংগঠন, কোনও রাজনৈতিক দল, কোনও মানুষ তাঁর মতামত প্রকাশের জন্য সভা, মিছিল ইত্যাদি করতেই পারেন। কিন্তু তার নামে কলকাতার বুকে হিংসা ছড়ানো হল। সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ এটাই প্রমাণ করে যে তারা কোনওভাবে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের কণ্ঠরোধ করতে চায় বা এমন কিছু ঘটনা তারা ঘটাতে চাইছে যা ক্যামেরায় এলে তাদের বিপদ বাড়বে।’