• মাঝরাতে সামনাসামনি গৃহকর্ত্রী, ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে চোর বলল ‘উপরে যাওয়ার রাস্তা কোনটা?’
    News18 বাংলা | ২৫ জুলাই ২০২৬
  • : মাঝরাতে চুরি করতে ঢুকে সোনাদানা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ব্যাগে গুছিয়ে নিয়ে চম্পট দেওয়ার একদম শেষ মুহূর্তে ছিলেন চোর বাবাজীবন। কিন্তু হঠাৎই হিসেব উল্টে দিল গৃহকর্ত্রীর ঘুম ভাঙা! সোজা গিয়ে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়লেন দু’জন। আর ধরা পড়ার ভয়ে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গৃহকর্ত্রীকেই চোর প্রশ্ন করে বসলেন, ‘উপরে যাওয়ার রাস্তা কোন দিকে? মানে দোতলায় যাওয়ার রাস্তা…’!

    শুক্রবার মধ্যরাতে এমনই এক নাটকীয় এবং চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের সিউড়ির রক্ষাকালী তলা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত তখন আনুমানিক দুটো থেকে আড়াইটে। রক্ষাকালী তলার একটি গৃহস্থ বাড়িতে সবার অলক্ষে ঢুকে পড়ে এক চোর। ঘরের সমস্ত দামী মালপত্র খুব নিখুঁতভাবে দুটি ব্যাগে ভরে নিয়ে চম্পট দেওয়ার ছক কষেছিল সে। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই গৃহকর্ত্রী নন্দিতা রায় ঘুম থেকে উঠে বাথরুমের দিকে যাচ্ছিলেন। অন্ধকারের মধ্যে আচমকা দু’জন একে অপরের সামনাসামনি চলে আসেন।

    মাঝরাতে ঘরে অচেনা লোক দেখে গৃহকর্ত্রী যখন গর্জে উঠে জিজ্ঞেস করেন, ‘এই মধ্যরাতে তুমি কে?’ ততক্ষণে থ হয়ে গেছেন চোর মশাই! গৃহকর্ত্রীর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে, কোনওরকমে আত্মরক্ষা করতে সোজা জিজ্ঞেস করেন উপরে যাওয়ার রাস্তা। কিন্তু বিপদের আঁচ পেয়ে আর এক মুহূর্তও দাঁড়াননি তিনি। সঙ্গে আনা দুটি ব্যাগের মধ্যে একটি মালপত্র ভর্তি ব্যাগ ভয়ে ওই ঘরের ভেতরেই ফেলে রেখে চম্পট দেয় চোর।

    মাঝরাতের এই অদ্ভুত ও নাটকীয় চুরির ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা সিউড়ির রক্ষাকালী তলা এলাকায়। খবর পেয়ে ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে সিউড়ি থানার পুলিশ। খোয়া যাওয়া বাকি জিনিসপত্রের খোঁজে ও চোরকে ধরতে উঠেপড়ে লেগেছে পুলিশ।
  • Link to this news (News18 বাংলা)